ভাগ্যের কি অদ্ভুত পরিহাস! প্রেমিকাকে নিয়ে পালিয়েও ফের ধরা পড়তে হলো পুলিশের জালে। অধরা থেকে গেল সংসার বাঁধার স্বপ্ন। পুলিশ ধরে নিয়ে গেল থানায়।
তবে এই প্রেমিক-প্রমিকার কাহিনী একটু আলাদা। ঘটনাটি মুর্শিদাবাদের ফরাক্কার।
ওই অঞ্চলের বেনিয়াগ্রামের বাসিন্দা হচ্ছেন আলম শেখ।
উল্লেখ্য, মাসতিনেক আগে খু্ন্তিপাড়া এলাকার সালমা বিবির নাবালিকা মেয়ের সঙ্গে বিয়ে হয় আলম শেখের নাবালক পুত্রের। কর্মসূত্রে সেই সময় দিল্লিতে ছিলেন ওই নাবালিকার বাবা। সূত্রের খবর, স্বামীকে না জানিয়েই মেয়ের বিয়ে দিয়ে দেন সালমা।
কিন্তু নাবালিকা হওয়ায় বিয়ে দিলেও নিজের বউমাকে বাড়িতে নিয়ে যাননি আলম। এভাবেই চলছিল। এরই মাঝে হঠাৎই বাড়ি ফিরে আসেন সালমার স্বামী। নাবালিকা অবস্থায় মেয়ের বিয়ের কথা জেনে অত্যন্ত ক্ষুব্ধ হন তিনি। এই নিয়ে অশান্তির মাঝেই প্রকাশ্যে আসে সালমা ও আলমের সম্পর্কের কথা। বাড়ে অশান্তির মাত্রা। এরপরই দিন চারেক আগে আচমকা উধাও হয়ে যায় সালমা ও আলম। বিভিন্ন এলাকায় চলে খোঁজাখুঁজি। বৃহস্পতিবার সামশেরগঞ্জের ধুলিয়ান পুরসভা এলাকায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে খোঁজ মেলে বেয়াই-বেয়ানের। খবর পেয়ে আলম শেখের স্ত্রী সন্তান-সহ পাড়া প্রতিবেশীরা হাজির হয় ঘটনাস্থলে। উত্তেজনা তৈরি হয় এলাকায়। ঘটনাস্থলে পৌছয় পুলিশও। তাঁরাই যুগলকে উদ্ধার করে জঙ্গিপুর আদালতে পাঠায়।
উল্লেখ্য, অভিযোগ উঠেছে দীর্ঘদিন ধরেই আলমের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল সালমার। যোগাযোগে যাতে কোনও বাধা না থাকে, সেই কারণেই তড়িঘড়ি প্রেমিকের নাবালক ছেলের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দিয়েছিল সালমা। কিন্তু এত ফন্দি করেও লাভ কিছুই হল না। স্বামী ফিরতেই ধরা পড়ে যায় সালমা। সেই কারণেই প্রেমিককে বিয়ের সিদ্ধান্ত।





