বাংলায় পদ্মফুল ফোটাতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ, জেপি নাড্ডা। আর তাই লাগাতার বাংলায় পদচারণা এই ত্রয়ীর। ইতিমধ্যেই এক দিনের সফর করে ফিরে গেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। চলতি মাসেই বাংলায় আসার কথা বিজেপির চাণক্য অমিত শাহ’র। আর তারপর ফ্রেরুয়ারিতেই বাংলায় আসার সম্ভাবনা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনেও আর বেশি দেরি নেই। এপ্রিলের শেষ সপ্তাহের মধ্যেই শেষ করতে হবে নির্বাচন। এমন নির্দেশই নাকি দেওয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনের তরফে বলে জানা যাচ্ছে। আর তাই হাতে পড়ে সেই ভাবে দেখতে গেলে দু’মাস। তাই জোরদার প্রস্তুতি নিচ্ছে বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব।
রাজ্য বিজেপির শক্তি বৃদ্ধি করতে রাজ্যে ‘পরিবর্তন যাত্রা’ কর্মসূচির সূচনায় প্রধানমন্ত্রীকে আনার পরিকল্পনা করেছে বঙ্গ বিজেপি শিবির। দলের কোর গ্রুপের বৈঠকে প্রাথমিক আলোচনার পর এই বিষয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে দিল্লিতেও। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব, সর্বোপরি প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে ‘গ্রিন সিগন্যাল’ মিললেই তারিখ চূড়ান্ত করা হবে বলে জানা যাচ্ছে l
উল্লেখ্য, বুথস্তরে অমিত শাহ ও জেপি নাড্ডার কর্মসূচি বাদ দিলে, করোনা পরিস্থিতি, লকডাউনের জেরে সেভাবে কোনও বড় মিটিং বা মিছিল করতে পারেনি গেরুয়া শিবির l
বাংলায় বিজেপির রণনীতি কি হবে সেই বিষয়ে আলোচনায় গত শুক্রবার দিল্লিতে অমিত শাহের বাড়িতে বৈঠকে বসেন দিলীপ ঘোষ, কৈলাস বিজয়বর্গীয়দের ও দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। সূত্রের খবর, সেই বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, এবার বাংলায় বড়মাপের মিছিল-মিটিং হবে। গোটা বিষয়টি পরিচালনার দায়িত্বে থাকবে গেরুয়াশিবিরের রাজ্য নেতারাই। আর রাজ্যে এসে সেই কর্মসূচিতে যোগ দেবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির মতো পদ্ম শিবিরের মাথারা।
সূত্রের খবর, বৈঠকে ফ্রেরুয়ারিতে ‘পরিবর্তন যাত্রা’ কর্মসূচি পালনের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরেই কি বাংলায় এই কর্মসূচির সূচনা হবে কি? সেই বিষয় নিয়েও কথা হয় বৈঠকে। সূত্রের খবর, মোদীর বঙ্গ সফরের অনুমতি চেয়ে ইতিমধ্যেই দিল্লিতে প্রস্তাব পাঠিয়েছে বিজেপি রাজ্য নেতৃত্ব। প্রস্তাবে যদি সম্মতি মেলে, তাহলে দিনক্ষণও চূড়ান্ত হবে। যদিও এ বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলতে চাননি দিলীপ ঘোষ। শুধু জানিয়েছেন, বৈঠকে পরিবর্তন যাত্রা কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ভোট ঘোষণার হওয়ার পর বাংলায় আসতে পারেন নরেন্দ্র মোদী।






