ইতিমধ্যেই মোদী সরকার আইন করে তিন তালাক প্রথাকে অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করেছেন৷ কিন্তু সমাজ যে এখনও মেয়েদের পদতলেই পিষে রেখে দিতে চায় এদিন ফের তারই নিদর্শন মিললো উত্তরপ্রদেশের শ্রাবস্তী এলাকায়।
অভিযোগ, নিজের স্ত্রী সইদা কে মুম্বাই থেকে স্রেফ ফোনের মাধ্যমে তিন তালাক দিয়েছিলেন তাঁর স্বামী নাসিফ। এরপর সইদা ৬ আগস্ট তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে পুলিশ তাঁর অভিযোগ না নিয়েই তাকে স্বামীর সঙ্গে ঘর করতে বলে। তবে গত ১৫ আগস্ট নাসিফ-কে ডেকে তিন তালাকের ব্যাপারে সতর্ক করে দেওয়া হয়। এরপরই মেজাজ হারায় নাসিফ। বাড়িতে ফিরে স্ত্রীর সঙ্গে তর্ক বিতর্কের পর নিজের পাঁচ বছরের মেয়ের সামনেই জ্যান্ত পুড়িয়ে মেরে ফেলেন তাঁর স্ত্রী সইদাকে৷
প্রত্যক্ষদর্শী সইদা এবং নাসিফের মেয়ের বক্তব্য, তার বাবা তার মায়ের চুলির মুঠি ধরে রাখে, সেসময় তার পিসি তার মায়ের ওপর কেরোসিন ঢালে, শেষে তার ঠাম্মা দেশলাইয়ে আগুন ধরিয়ে তা ছুড়ে মারে তার মায়ের শরীরে। ঘটনাস্থলেই আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয় সইদার৷
সইদার বাপের বাড়ির পরিজনরা জানিয়েছেন যে, প্রায়ই পণের জন্য দাবী জানাতো নাসিফের পরিবার। আর তা বারবার দিতে না পারাতেই অশান্তি শুরু হয়েছিল। সেখান থেকেই সইদাকে তালাক দিয়েছিল নাসিফ। ইতিমধ্যেই নাসিফের পরিবারের বিরুদ্ধে পণ এবং গৃহবধূ খুনের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে৷






