গতকালই প্রকাশিত হয়েছে ভোটের নির্ঘণ্ট। আর এর ঠিক ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রাজ্যের প্রশাসনে বড় রদবদল করা হল। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকা জাভেদ শামিমকে তাঁর পদ থেকে সরিয়ে আনা হল। তাঁকে পাঠানো হল দমকলের দায়িত্বে। উল্টোদিকে, দমকলের দায়িত্বে থাকা ডিজি জগমোহনকে দেওয়া হল রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার পদ।
আজ, শনিবার সন্ধ্যেয় রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এই রদবদলের কথা জানান। এই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, জগমোহন এবার থেকে সামলাবেন রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার পদ। অন্যদিকে, এতদিন এই পদ যে সামলে এসেছেন, সেই জাভেদ শামিমকে দেওয়া হল দমকলের ডিজির পদ। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত, দুজনেই এই পদে বহাল থাকবেন বলেও জানা গিয়েছে।
বলে রাখি, সম্প্রতিই, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জাভেদকে কলকাতা পুলিশের পদ থেকে সরিয়ে রাজ্য পুলিশের পদে অধিষ্ঠান করান। কলকাতা পুলিশের স্পেশাল পুলিশ কমিশনার থেকে তাঁকে এডিজি বা আইনশৃঙ্খলার পদে আনা হয়। এবার ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তাঁকে সেই পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল।
আরও পড়ুন- তৈরী হল বিজেপির প্রার্থী তালিকা, থাকছে অনেক চমক, অপেক্ষা শুধু শিলমোহরের
কমিশনের এই কাজের পিছনে বিজেপির চক্রান্ত রয়েছে বলে মনে করছে তৃণমূল। তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়ের মতে এটা বিজেপি ব্লু-প্রিন্টে করা হয়ে থাকতে পারে। এই মধ্যে রাজনৈতিক ছোঁয়া রয়েছে বলে মনে করছেন তিনি।
অন্যদিকে, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ নাকোচ করে বিজেপির দলনেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, “নির্বাচন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করার জন্যই এই পদক্ষেপ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সুরজিৎ পুরকায়স্থের মতো রাজ্যের বেশ কিছু অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিককে মমতাভোগী করে রাখা হয়েছে। তাদের সরানোর দাবী আমরা অনেকদিন ধরেই করছি”।
আরও পড়ুন- বেজেছে ভোটের ঘন্টা! প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত তৃণমূলের, দেখুন এগিয়ে কোন কোন তারকা
বলে রাখা ভালো, আজ বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ স্বপন দাশগুপ্তের নেতৃত্বে বিজেপির একটি প্রতিনিধিদের দল রাজ্য নির্বাচন কমিশন দফতরে গিয়ে কমিশনারকে আবেদন করেন যে রাজ্যের পক্ষপাতদুষ্ট পুলিশ আধিকারিকদের যাতে পদ থেকে সরানো হয়। নাহলে রাজ্যে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হওয়া অসম্ভব।






