গত বুধবার মুখ্যমন্ত্রী নন্দীগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর সন্ধের দিকে বিরুলিয়ার এক মন্দিরে দর্শনে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানেই জখম হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল অভিযোগ তুলেছিল যে, গাড়ির সামনে ভিড়ের মধ্যে কয়েকজন ইচ্ছাকৃত ধাক্কা দেওয়ার ফলে চোট পেয়েছেন তিনি। কিন্তু এদিন নির্বাচন কমিশনের রিপোর্টে স্পষ্ট যে, নন্দীগ্রামে মমতার উপর হামলা হয়নি, বরং দুর্ঘটনার কারণেই পায়ে চোট পেয়েছিলে মুখ্যমন্ত্রী।
জখম হওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী গাড়িতে উঠে সাংবাদিকদের বলেছিলেন, “চক্রান্ত করেই ধাক্কা দেওয়া হয়েছে।” প্রসঙ্গত, এই ঘটনাউ মুখ্যসচিব ও সিইও-র কাছ থেকে রিপোর্ট চেয়েছিল নির্বাচন কমিশন। কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে, পর্যবেক্ষকদের মতামতেই এই রিপোর্ট। কমিশন সূত্রে তেমনটাই খবর। সেই সঙ্গে আরও জানানো হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের ভুলেই আহত হওয়ার ঘটনাটি ঘটেছে।
রিপোর্ট অনুযায়ী, গাড়ির দরজা বন্ধ ছিল, ওখানে থাকা একটি খুঁটির কথাও বলা হয়েছে। কিন্তু কিভাবে আচমকা গাড়ির দরজা বন্ধ হল তার কোনও উল্লেখ নেই রিপোর্টে। এই সব তথ্যের উপর ভিত্তি করেই দুর্ঘটনার বলে জানানো হয়েছে। অজয় নায়েক ও বিবেক দুবে নামক দুই বিশেষ পর্যবেক্ষকই নিজেদের মতামত জানিয়েছিলেন। তাদের দেওয়া রিপোর্ট নিয়ে রবিবার কমিশনের ফুলবেঞ্চ বৈঠকে বসে বসে। তারা জানিয়ে দিয়েছে, এই ঘটনা কোনওভাবেই ইচ্ছাকৃত আঘাত নয়।





