রবিবার ছিল দোল। এদিন গঙ্গাবক্ষে দোল উৎসব পালন করেন তৃণমূল প্রার্থী মদন মিত্র। তাঁর সঙ্গে সেই উৎসবে অংশ নেন বিজেপির তিন তারকা প্রার্থী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়, তনুশ্রী ও পায়েল সরকারকে। এই নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয় তুমুল বিতর্ক। তৃণমূল প্রার্থী মদন মিত্রের সঙ্গে সঙ্গে কীভাবে বিরোধী দলের প্রার্থীরা দোল উৎসব পালন করলেন, এ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে নানান মহলে।
শুধু দোল উৎসব পালনই নয়, এদিন ‘খেলা হবে’ গানের সঙ্গে নাচতে দেখা যায় বিজেপির এই তিন প্রার্থীকে। এই নিয়ে বিজেপির নানান তারকা প্রার্থীরা প্রশ্ন তোলেন। এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের ক্ষোভ উগড়ে দেন বিজেপি নেত্রী তথা অভিনেত্রী রূপাঞ্জনা মিত্র। এবার এই নিয়ে মুখ খুললেন বেহালা পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি তারকা প্রার্থী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়।
আরও পড়ুন- মমতার গাড়ি ঘিরে উঠল ‘জয় শ্রী রাম’ ধ্বনি, বিজেপি কর্মীদের শান্ত করল পুলিশ, চাঞ্চল্য নন্দীগ্রামে
নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে একটি ভিডিও শেয়ার করে তিনি বলেন, “নমস্কার আমি শ্রাবন্তী চ্যাটার্জী বেহালা পশ্চিম বিধানসভার মনোনীত প্রার্থী। গত ২৮শে মার্চ দোল উৎসব উপলক্ষ্যে সেদিন একটি মিডিয়া চ্যানেল-এর পক্ষ থেকে একটি অনুষ্ঠান আয়োজিত করা হয়েছিল যা কোনোভাবেই রাজনৈতিক অনুষ্ঠান ছিল না, যেখানে অন্য একটি দলের প্রার্থীরাও ছিলেন যা আমি ওখানে পৌঁছে জানতে পারি। যেহেতু দোল সবার তার কোনো আলাদা রাজনৈতিক রং নেই তাই গেছিলাম। আমার যাওয়ার জন্যে যদি আমার বেহালা পশ্চিম বিধানসভার কার্যকর্তারা এবং কর্মীরা মনোক্ষুন্ন হন তার জন্যে আমি ক্ষমাপ্রার্থী, আমি যেভাবে বেহালা পশ্চিমের পাশে আছি সেভাবেই থাকবো এবং আপনারা যেভাবে এতদিন ভালোবেসে এসেছেন চাইবো সেইভাবেই ভালোবেসে যাবেন এবং আশীর্বাদ করবেন যাতে আরও এগিয়ে যেতে পারি। সবাই সুস্থ থাকবেন ভালো থাকবেন”।
আরও পড়ুন- ‘নন্দীগ্রামেই শুরু, নন্দীগ্রামেই শেষ’, গানের সুরেই প্রতিপক্ষকে একহাত নিলেন আত্মবিশ্বাসী মীনাক্ষী
শুধু শ্রাবন্তীই নন, এই বিষয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা দেন অন্য এক বিজেপি তারকা প্রার্থী পায়েল সরকার। তিনি বলেন, “গতকাল দোল উৎসবের সময় একটা ছবি নিয়ে অনেকে আমার উপর হয়তো মনোক্ষুন্ন হয়েছেন। গত ৭০ বছর ধরে পশ্চিমবাংলাতে চলা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বলি হয়েছেন আমার অসংখ্য বাংলার ভাইবোনেরা। এখানে বিরোধী দলকে তাদের মতপ্রকাশ করতে দেয়া হয় না।বিজেপি করার অপরাধে খুন হয়েছেন ১৪০ এর উপর কার্যকর্তা।অপরাধ তারা বিজেপি করত। ৭০ বছর ধরে চলা এই রাজনৈতিক হিংসার অবসানের জন্যে বিজেপির সংগ্রাম চলছে। ১৪০ জন শহীদের রক্তের শপথ নিয়ে বলছি তোমাদের রক্ত আমরা বৃথা যেতে দেব না। গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধার করাই হবে আমাদের প্রথম কাজ। ২রা মে বিজেপির সরকার গঠনের পর বিরোধী শাসক একসাথে মিলেমিশে থাকবে এইরকম বাতাবরণ পশ্চিমবঙ্গে তৈরি হবে এই আশা নিয়ে সবাইকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি”।
রাজনৈতিক মহলের ধারণা, শ্রাবন্তী বা পায়েল, দুজনেই মূলত চাপে পরেই এই ভিডিও বার্তা দিয়েছেন।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার