মমতার নির্দেশেই কেন্দ্রীয় বাহিনী ঘেরাও! দায় তাঁর, প্রচার থেকে সরিয়ে গৃহবন্দি করা  দরকার, নিদান দিলীপের

রাজ্যে চতুর্থ দফা নির্বাচনে ভোট হিংসার বলি ৫। দ্বিতীয় দফা নির্বাচনের আগেই শান্তিপূর্ণ ভোটের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন হুঁশিয়ারি দিয়েছিল প্রয়োজনে গুলি চালাতে হতে পারে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে। কিন্তু তা যে সত্যি হয়ে যাবে ভাবেনি বাংলা। আত্মরক্ষার্থে গতকাল গুলি চালাতে হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে। মৃত্যু হয় ৪ জনের। সকালেই তৃণমূল-বিজেপি হিংসার বলি হয় এক নতুন ভোটার।

কিন্তু এই ঘটনায় কিছুটা দায় বর্তেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর‌ও। ভোট প্রচার করতে গিয়ে কোচবিহারের জনসভা থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘেরাও করার পরামর্শ দিয়েছিলেন তিনি। সেই অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন তাঁর হাতে শো-কজ লেটারও ধরায়।

আরও পড়ুন- অমিত শাহ্’র নির্দেশেই গুলি চলেছে মাথাভাঙায়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবী মমতার

আর এবার চতুর্থ দফার ভোটগ্রহণের সময় কোচবিহারে গোলাগুলির ঘটনায় তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়কে সোজাসুজি দায়ী করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি মমতাকে গৃহবন্দি করার দাবি জানিয়েছেন।

বঙ্গ বিজেপির প্রদেশ অধ্যক্ষ দিলীপ ঘোষ বলেছেন, সমাজ বিরোধীরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হয়ে ভোট করতো। মমতা তাদের উত্তেজিত করেছেন। তাঁরা সেন্ট্রাল ফোর্সের ওপর হামলা করেছে। পরে গুলিবিদ্ধ হয়েছে। আমার মনে হয়, মমতার বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা হওয়া উচিত। প্রচার থেকে সরিয়ে গৃহবন্দি করে রাখা দরকার।

আরও পড়ুন- মোদীর সভা থেকে ফেরার পরই বিজেপি নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি, ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর অভিযোগ 

তবে এই ঘটনায় প্রথম থেকেই রাজ্য-কেন্দ্র দোষারোপের পালা শুরু হয়ে গেছে। শিলিগুড়ি থেকে গতকালই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

অন্যদিকে এই ঘটনায় ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ্কে দায়ী করে তার পদত্যাগ দাবি করেছেন মমতা। পাশাপাশি এর তদন্তভার তুলে দিয়েছেন সিআইডি’র হাতে। মমতার দাবি, ঘটনার জন্য দায়ী অমিত শাহ্। উনিই ষড়যন্ত্রকারী। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দায়ী করব না। তাঁরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশে চলে।

আরও অন্যান্য খবর