আজ, সোমবার বর্ধমানে নির্বাচনী সভা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পঞ্চম দফা ভোটের আগে নির্বাচনী প্রচারে কোনও খামতি রাখছেন না প্রধানমন্ত্রী। এদিনের সভাতেও নিজের পুরনো মেজাজেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ শানালেন তিনি। এদিন মিহিদানার প্রসঙ্গ টেনে মমতাকে তীর বেঁধেন মোদী।
এদিনের সভায় মোদী বলেন, “বর্ধমানের চাল ও মিহিদানা বিখ্যাত। আপনাদের কথা বলা, সবকিছুতেই ভরপুর মিষ্টিভাব রয়েছে। দিদির কী মিহিদানা পছন্দ নয় নাকি? আমি তো অবাক, দিদি এত তিক্ত কেন? ওঁর রাগ, ক্রোধ দিনদিন বেড়েই চলেছে। বাংলার অর্ধেক নির্বাচনেই তৃণমূল সাফ। বাকী চার দফার নির্বাচনে তৃণমূল পুরো সাফ হয়ে যাবে”। বিজেপি সেঞ্চুরি করে ফেলেছে বলেই আত্মবিশ্বাসী মোদী।
আরও পড়ুন- ফের উত্তপ্ত নানুর! তৃণমূল-বিজেপির সংঘর্ষে বোমাবাজি, আটক দু’পক্ষেরই কয়েকজন
এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কড়া ভাষায় কটাক্ষ করে মোদী বলেন, “দিদির পুরো টিমকে মাঠ ছাড়া করেছে পুলিশ। ৩৪ বছর পর বামফ্রন্টেরও একই হাল হয়েছে। যেভাবে কংগ্রেস ও সিপিআইএম আর ফেরেনি, সেভাবে দিদিও আর ফিরবেন না। আপনার এত রাগ, তাহলে আমায় গালাগাল দিন। সাধারণ মানুষের উপর রাগ করছেন কেন? দিদির কুশাসন আর চায় না বাংলা। আপনার অহঙ্কার আর সহ্য করবে না বাংলা। দিদি-ভাইপোর হিংসার খেলা চায় না বাংলা”।
মোদী আরও বলেন, “তৃণমূলের এক নেতা দলিতদের ভিখারি বলেছেন। এরপরও দিদি নীরব। দলিতদের অপমান দিদির সবথেকে বড় ভুল।মা-মানুষের নামে বাংলার উপর রাজ করেছেন দিদি। দিদির মা-মাটি এখন মোদীর মুখ। দিদি পুলিশকে তোলাবাজের কাজে লাগিয়েছে”।
এর আগে শীতলকুচির ঘটনা প্রসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই দোষ দিয়েছেন তিনি। এও বলেছেন যে, “দিদির গুণ্ডারা এসব করেছে”। এদিনের সভায় ফের শীতলকুচির ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে মোদী বলেন, “কোচবিহারে কয়েকদিন আগে যাদের মৃত্যু হল, তাঁরাও মায়ের সন্তান। দিদির নীতি মায়ের কোল খালি করেছে”।





