করোনা টিকা উৎপাদন বাড়াতে দুই সংস্থাকে ৪৫০০ কোটি টাকার অনুমোদন দিলেন নরেন্দ্র মোদী

আগামী ১লা মে থেকে ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে সকলকে করোনার টিকা দেওয়া হবে এমনটাই ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই কারণে দেশে এই মুহূর্তে টিকার চাহিদা তুঙ্গে। এবার দেশের দুই টিকা প্রস্তুতকারক সংস্থা সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া এবং হায়দ্রাবাদের ভারত বায়োটেককে বেশ বড় অর্থের অনুমোদন দিলেন নরেন্দ্র মোদী। জানা গিয়েছে এই দুই সংস্থাকে ৪৫০০ কোটি টাকার অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। দ্রুত যাতে বেশি পরিমাণে টিকা উৎপাদন হতে পারে এই কারণেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন-করোনা সংক্রমণের জেরে কি বাতিল হচ্ছে দূরপাল্লার ট্রেন? কি জানাচ্ছে ভারতীয় রেল? পড়ুন-

সূত্রের খবর অনুযায়ী, ৪৫০০কোটি টাকার মধ্যে পুণের সেরাম ইনস্টিটিউটকে দেওয়া হবে ৩ হাজার কোটি টাকা ও বাকি দেড় হাজার কোটি টাকা অনুমোদন পাবে হায়দ্রাবাদের ভারত বায়োটেক সংস্থা। পুনের সংস্থা তৈরি করছে কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন ও হায়দ্রাবাদের সংস্থা প্রস্তুত করছে কোভ্যাকসিন। আপাতত, এই দুটি টিকাকেই ছাড়পত্র দিয়েছে কেন্দ্র সরকার।
আগামী ১লা মে থেকে ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে সকলকে টিকা দেওয়া হবে। এই কারণে প্রয়োজন বিপুল পরিমাণ টিকা সরবরাহ এই মুহূর্তে তাই উৎপাদন বৃদ্ধি করতে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুন-সাবধান! করোনা থেকে সেরে ওঠার ১০২ দিন পর ফের আক্রান্ত হতে পারেন করোনায়, দাবি গবেষণায়

চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে প্রায় সাড়ে ৬ কোটির বেশি স্পিকার টিকার অর্ডার দেওয়া হয়। এরমধ্যে ৩০ লক্ষ টাকা টিকা ব্যবহার হয় স্বাস্থ্যকর্মী ও যোদ্ধাদের করোনা যোদ্ধাদের জন্য। ১৬ই জানুয়ারি থেকে দেশে টিকাকরণের কাজ শুরু হয়।

মার্চ মাসে ফের ১০ কোটি টিকার অর্ডার দেওয়া হয় সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়াকে। জানা গিয়েছে এই সংস্থার তৈরি করি কোভিশিল্ড টিকার দাম ১৫৭ টাকা ৫০ পয়সা (জিএসটি নিয়ে)।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই অনুমোদনের টাকা পরবর্তীকালে আরও বাড়ানো হতে পারে। কারণ, ক্রমশ চোখ রাঙাচ্ছে করোনা। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় দেশে নতুন করে এই মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৫৯ হাজারেরও বেশি মানুষ।

আরও অন্যান্য খবর