শ্রদ্ধার জোর! সোনু সুদকে দেখতে খালি পায়ে ৭০০ কিলোমিটার পথ হেঁটে এলেন যুবক, আপ্লুত অভিনেতা

সোনু সুদ এখন গরীব মানুষের কাছে স্বয়ং ঈশ্বর। ঈশ্বর যেন তাঁকে এই পৃথিবীতে  নিজের দূত হিসেবে পাঠিয়েছেন অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য। গত দেড় বছর ধরে তিনি যেভাবে গরীব মানুষের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছেন, তার কোনও তুলনা হয় না। এবার তাঁর এক ভক্ত তাঁর জন্য এক বড় পদক্ষেপ নিলেন।

হিন্দু ধর্মে যদি কেউ ঈশ্বরের কাছে কিছু মানত করেন বা মন্দিরে পুজো দিতে গেলে খালি পায়ে হেঁটে ঈশ্বরের কাছে পৌঁছতে হয়। মন্দিরে ঢোকার সময়ও খালি পায়ে ঢুকতে হয়। ঠিক সেরকমই সোনু সুদ তাঁর এই ভক্তের কাছে ভগবানতুল্য। তাই তাঁর সঙ্গে দেখা করতে খালি পায়েই হেঁটে এলেন যুবক।

আরও পড়ুন- স্মরণে সুশান্ত! অভিনেতার এক বছরের মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর বন্ধুদের সঙ্গে ফিরে দেখা কিছু মুহূর্ত

সুদূর হায়দ্রাবাদ থেকে মুম্বই পর্যন্ত হেঁটে এসেছেন ওই যুবক, তা-ও আবার খালি পায়ে। হায়দ্রাবাদ থেকে মুম্বইয়ের দুরত্ব ৭০০ কিলোমিটার। এই ৭০০ কিলোমিটার পথ খালি পায়ে হেঁটে সোনু সুদের সঙ্গে দেখা করতে এলেন তাঁর ভক্ত। যুবকের নাম ভেঙ্কটেশ। তাঁর এমন কাণ্ড দেখে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়লেন সোনু। ভক্তের প্রচণ্ড আদর-যত্নও করলেন তিনি।

ভেঙ্কটেশের সঙ্গে ছবি তুলে তা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে সোনু লেখেন, “ভেঙ্কটেশ, হায়দরাবাদ থেকে মুম্বই খালি পায়ে হেঁটে আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছে। ওঁর জন্য যাতায়াতের কোনও ব্যবস্থা করার সুযোগই দেয়নি ও। আমি অভিভূত এবং একইসঙ্গে বিনীত।” সোনু যোগ করেন, “যদি আমি সবাইকে এই ধরনের কাজ করতে একেবারেই উৎসাহিত করছি না। তোমাদের সবাইকে খুবই ভালবাসি”।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Sonu Sood (@sonu_sood)

গত বছর লকডাউনে পরিযায়ী শ্রমিকদের ঘরে পৌঁছনো থেকে শুরু করে নানান বেকারদের কর্মসংস্থান করে দেওয়া, কাওর আবার অনলাইন ক্লাসে সাহায্য করা, কারোর চিকিৎসায় সাহায্য, সংসারের খরচ দেওয়া, সবই করে এসেছেন তিনি। শুধু তাই-ই নয়, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় যেখানে যার অক্সিজেনের প্রয়োজন পড়েছে, তাঁকে অক্সিজেন সিলিন্ডার দেওয়া থেকে হাসপাতালে বেডের বন্দোবস্ত করে দেওয়া, এসব একা হাতে সামলেছেন সোনু সুদ। সম্প্রতি নানান রাজ্যে অক্সিজেন প্ল্যান্ট বসানোরও উদ্যোগ নিয়েছেন অভিনেতা। এমনকি, বেশ কিছু অসহায়, দুঃস্থ, মেধাবী ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার দায়িত্বও নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন সোনু সুদ।

RELATED Articles