তরুণী একজন আইনজীবী। তাঁকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ উঠল দক্ষিণ কলকাতার এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, ওই নেতা তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ের বেশ ঘনিষ্ঠ।
ওই তরুণীর অভিযোগ, এই বিষয় নিয়ে পুলিশে অভিযোগও করেন তিনি। কিন্তু পুলিশ এই বিষয়ে বিশেষ গা করেনি। অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা নিজেকে ক্ষমতাবান বলে পরিচয় দিয়েছেন। এর ফলে তাঁর প্রস্তাব না মানলে বড় কোনও বিপদে পড়তে হতে পারে, এমন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে ওই তরুণীর মনে।
ঘটনার সূত্রপাত এক বছর আগে। তরুণী জানান, তিনি রোজ রাতে পথকুকুরদের খেতে দেন। সেই সময় একদিন ওই তৃণমূল নেতা এসে তরুণীর সঙ্গে আলাপ জমান। নিজেকে রাজনৈতিক নেতা ও সমাজকর্মী বলে পরিচয় দেন তিনি। এরপর নিজে থেকেই ওই তরুণীর বাড়ি যেতে চান তৃণমূল নেতা।
তাঁকে কারণ জিজ্ঞেস করলে তিনি সরাসরিই তরুণীকে বলেন যে তিনি নাকি তরুণীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করতে চান। এই কথায় অত্যন্ত অপমানিত বোধ করেন তরুণী। ওই নেতাকে এড়িয়ে যান তিনি। কিন্তু তরুণীর অভিযোগ, এরপর থেকে রাস্তায় দেখা হলেই ওই তৃণমূল নেতা তরুণীকে বলেন, “তোমার বাড়িতে যাব। কবে যাব? তোমাকে আমার খুব পছন্দ। তোমার সঙ্গে আমই সঙ্গম করতে চাই”।
এরপর বিরক্ত হয়ে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন ওই তরুণী। কিন্তু পুলিশ জানান যে মৌখিকভাবে অশালীন প্রস্তাব দেওয়ার কোনও প্রমাণ তাঁর কাছে নেই, তাই তারা কোনও পদক্ষেপ করতে পারবে না।
এরপর তরুণী চালাকি করে ওই তৃণমূল নেতাকে একদিন ফোন করেন। ফোনেও কুপ্রস্তাব দেন তৃণমূল নেতা। সেই কথোপকথন প্রমাণস্বরূপ রেকর্ড করে রাখেন তরুণী। এরপর তা নিয়ে পুলিশের কাছে গেলেও কোনও হেলদোল নেই পুলিশের, এমনটাই দাবী ওই তরুণী ও তাঁর মায়ের। এরপর তরুণীর যদি বড় কোনও অঘটন ঘটে, এই নিয়ে প্রতি মুহূর্তে আশঙ্কায় রয়েছেন তরুণী ও তাঁর মা।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার