পশ্চিমবঙ্গে তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর এবার তৃণমূলের লক্ষ্য হল দিল্লির মসনদ। তবে এর আগে অন্যান্য রাজ্যেও সংগঠনের ভিত শক্ত করা প্রয়োজন। এই কারণে সর্বপ্রথম বিজেপি শাসিত রাজ্য ত্রিপুরাকেই বেছে নিয়েছে ঘাসফুল শিবির।
সে রাজ্যে মাঝেমধ্যেই যাওয়া-আসা করছে তৃণমূলের নেতা-নেত্রীরা। অনেকে আবার আক্রান্ত হয়েছেন বলেও অভিযোগ। গত মাসেই ত্রিপুরায় প্রথম পা রেখেই হামলার মুখে পড়েন খোদ তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
আরও পড়ুন- ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনায় সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার বীরভূমের তৃণমূল কর্মী, সবমিলিয়ে রাজ্যে আটক মোট ১৯
তবে দমে যায়নি দল। আগামী ১৫ই সেপ্টেম্বর ত্রিপুরায় এক বিশাল পদযাত্রার আয়োজন করা হয়েছিল তৃণমূলের তরফে। কিন্তু সেই কর্মসূচিতে কার্যত জল ঢেলে দিল ত্রিপুরা পুলিশ। অভিষেকের এও পদযাত্রার জন্য ত্রিপুরা পুলিশের তরফে অনুমতি দেওয়া হল না।
ত্রিপুরা পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে এরকম ধরণের কোনও পদযাত্রা করতে গেলে অন্তত ৭২ ঘণ্টা আগে অনুমতি চাইতে হয়। কী কারণে ও কী কী আয়োজন করা হয়েছে, সেই বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে হয়। এরকম কর্মসূচিতে কারা উপস্থিত থাকবেন, কোথায়, কোন রাস্তায় কর্মসূচি হবে, সব তথ্য পুলিশকে দিতে হয়।
ত্রিপুরা পুলিশের কথা অনুযায়ী, যেদিন তৃণমূলের এই পদযাত্রা রয়েছে সেদিনই সেই একই রাস্তায় অন্য একটি রাজনৈতিক দলেরও কর্মসূচি রয়েছে। আর সেই তৃণমূলের অনেক আগেই তা পুলিশকে জানিয়ে অনুমতি চেয়েছিল। তাদের অনুমতিও দেওয়া হয়েছে। তাই পুলিশের কথায়, একদলকে যেহেতু অনুমতি দেওয়া হয়েছে তাই সেই একই রাস্তায় অন্য দলকে কর্মসূচি করার অনুমতি দেওয়া যাবে না।
আরও পড়ুন- নেই নিজের গাড়ি-বাড়ি, চাষযোগ্য জমি, সোনাদানা রয়েছে মাত্র ৯ গ্রাম, সম্পত্তির হলফনামা পেশ মমতার
তবে এদিকে ত্রিপুরা পুলিশের এই দাবীকে সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছে ঘাসফুল শিবির। তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ এই বিষয়ে বলেন যে বিজেপি তাদের ভয় পাচ্ছে, তাই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কর্মসূচিতে বাধা দিচ্ছে। তাদের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হতে চলেছে, এখন এই নিয়ে আলোচনা চলছে।






