রাজধানী দিল্লি থেকে শুরু করে দেশের নানান শহরগুলিকে এবার আবর্জনামুক্ত করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই কারণে এবার তিনি সূচনা করলেন ‘স্বচ্ছ ভারত অভিযান ২.০’-এর। পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তোলার জন্যই এই স্বচ্ছ ভারত অভিযানের দ্বিতীয় পর্ব।
আজ, শুক্রবার দিল্লির ড. আম্বেদকর ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার থেকে ‘অটল মিশন ফর রিজুভিনেশন অ্যান্ড আরবান ট্রান্সফরমেশন ২.০’ অভিযানের সূচনাও করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। জঞ্জাল পরিষ্কার করে দেশের সমস্ত শহরগুলিকে আবর্জনামুক্ত করাই হল এই দুই অভিযানের লক্ষ্য।
https://twitter.com/ANI/status/1443834393508802560?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1443834393508802560%7Ctwgr%5E%7Ctwcon%5Es1_&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.sangbadpratidin.in%2Findia%2Fpm-narendra-modi-launches-second-phase-of-swachh-bharat-abhiyan%2F
এই বিষয়ে এদিন প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আবর্জনামুক্ত শহর গড়াই লক্ষ্য। এই অভিযানের দ্বিতীয় পর্যায়ে শহরগুলিতে জমে থাকা আবর্জনার পাহাড় সাফ করা হবে। দিল্লিতে বহুদিন ধরেই এমন এক আবর্জনার পাহাড় রয়েছে। এই অভিযানের মহানায়ক সাফাইকর্মীরা। আমাদের সরকার শহরের উন্নয়নে ৪ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। আজ ভারত প্রতিদিন ১ লক্ষ টন বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ করছে”।
এদিন দেশকে দূষণ মুক্ত ও পরিচ্ছন্ন করার উদ্দেশে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমাদের এই কাজকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। দেশের প্রতিটি শহরে বর্জ্য পদার্থকে কাজে লাগানোর জন্য আধুনিকতম ব্যবস্থা নিতে হবে। শহরের উন্নয়নে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। এই আধুনিক প্রযুক্তি দূষণ দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়”।
প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে দিল্লিতে ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী স্বচ্ছ ভারত অভিযান চালু করেন। সে বছর ২রা অক্টোবর অর্থাৎ মহাত্মা গান্ধীর জন্মদিবসে দিল্লির রাজপথ ঝাঁটা হাতে পরিস্কার করে নিজের এই প্রকল্পের সূচনা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী।
এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য ছিল, ২০১৯ সালের মধ্যে প্রকাশ্যে মলত্যাগ বন্ধ করা ও দেশে ৯ কোটি শৌচালয় তৈরি করা। পরিবেশকে পরিস্কার রাখার তাগিদে এই উদ্যোগ নেন মোদী। তাঁর এই উদ্যোগকে সম্মানিত জানানো হয় বিল গেটসের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার পক্ষ থেকে।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার