বন্ধ করা হয়েছে কলকাতা পুরসভার অবসরপ্রাপ্তদের পেনশন। এমন বিজ্ঞপ্তি ঘসনার পরই এই বিষয় নিয়ে সরব হয়েছে বিজেপি। টাউন হলে পুর অধিবেশনে এই বিষয় নিয়ে প্রতিবাদ দেখান বিজেপি কাউন্সিলর সজল ঘোষ।
তিনি দাবী করেন, প্রয়োজন পড়লে কাউন্সিলদের ভাতা বন্ধ করে পেনশন দেওয়া হোক। এই পরিস্থিতি দ্রুত সামলানোর আশ্বাস দিয়েছেন কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম ।
আজ, শুক্রবার এক ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী থাকলেন কলকাতা পুরসভার কাউন্সিলররা। করোনার পরিস্থিতির জেরে পুর অধিবেশন বসে টাউন হলে। এদিন অধিবেশন শুরু হওয়ার আগে টাউন হলের গেটে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কাউন্সিলর সজল ঘোষ।
এদিন তিনি ‘নো পেনশন, নো কেএমসি’ লেখা প্ল্যাকার্ড নিয়ে অধিবেশন কক্ষে প্রবেশ করেন। এরপর তিনি দাবী তোলেন কলকাতা পুরসভার কোষাগারের অবস্থা খারাপ হলে কাউন্সিলরদের ভাতা বন্ধ করা হোক। কিন্তু পেনশন বন্ধ করা যাবে না।
কলকাতা পুরসভার এমন পরিস্থিতির জন্য রাজ্য সরকারকে তোপ দেগে টুইট করেছেন বিজেপি নেতা তথাগত রায়। এই বিষয়ে কটাক্ষ করেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষও। তিনি বলেন, আজ পেনশন বন্ধ করছে, আগামী দিনে বেতন বন্ধ করবে।
Kolkata Municipal Corporation is bankrupt. Refused to pay pension and pensionary benefits to all employees who retired after September 2021.
I apprehend that the same fate awaits Govt of West Bengal as a result of its profligate spending over Laxmir Bhandar and subsidy to clubs.— Tathagata Roy (@tathagata2) January 28, 2022
তবে এই পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তিনি বলেন, “পেনশন আমরা আগে দেব। পেনশন আর মাইনেতে আমরা হাত দেব না। রেগুলার কালেকশন দিতে ওটা আগে দেব। গত কয়েক মাস আমি ছিলাম না। ম্যায় হুঁ না”।
প্রসঙ্গত, গতকাল, বৃহস্পতিবার কলকাতা পুরসভার তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয় যে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে যারা অবসর নিয়েছেন, তাদের পেনশন বন্ধ করা হল। আর্থিক কারণে এই সিদ্ধান্ত, তাও জানানো হয়েছে। এছাড়াও। যাদের বর্ধিত হারে পেনশন পাওয়ার কথা, তারাও বর্ধিত হারে পেনশন পাবেন না, তাও জানানো হয়েছে। এরপর থেকেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়।





