সব বিতর্কের ইতি ঘটল। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের পদই ফিরে পেলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ১২ই ফেব্রুয়ারি তৃণমূলের জাতীয় কর্মসমিতি গঠন করেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে তো বটেই, সেই সমিতিতে জায়গা হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ আরও ১৯ জনের। আজ, শুক্রবার সেই কর্মসমিতির প্রথম বৈঠক বসে কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতেই। আর বৈঠকেই অভিষেকের পুরনো পদ অর্থাৎ সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের পদ ফেরানো হয় তাঁকে।
বিগত কিছুদিন ধরেই বঙ্গ রাজনীতিতে তৃণমূলের দুই প্রধান মুখ অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে বেশ কিছু বিতর্ক তৈরি হচ্ছিল। রাজনৈতিক মহলের মত ছিল যে এই দুই নেতার মধ্যে দূরত্ব বেড়েছে। তবে সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে অভিষেক জানিয়েছিলেন যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই তাঁর নেত্রী ও অনুপ্রেরণা।
রাজ্য রাজনীতিতে বিগত কিছুদিন ধরেই তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন সমস্যা প্রকাশ্যে এসেছে। এই বিষয়ে অনেকেই মিডিয়ায় এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের নিজের মত প্রকাশ করেছেন। কিন্তু যাঁদের নিয়ে এত চর্চা, এত বিতর্ক, সেই মমতা এবং অভিষেক এই বিষয়ে বেশি কিছু বলেননি।
তৃণমূলের প্রথম সারির নেতারাও এই বিষয়ে কার্যত মৌনব্রত রেখেছিলেন। এরই মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জরুরি মিটিং করে সকল জাতীয় পদের অবলুপ্তি ঘটিয়েছিলেন। এমনকি, জাতীয় পদের অবলুপ্তি ঘটানোর সঙ্গে সঙ্গে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক পদটিও তুলে দেন। ওই পদেই ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
এরপরই তাঁর দিকে নজর ঘোরে। কিন্তু অভিষেক স্পষ্ট করে বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনেক যুদ্ধ করে আজকের তৃণমূলকে এই জায়গায় এনে দাঁড় করিয়েছেন। তৃণমূলের আসল কাজ হল মানুষের জন্য লড়াই করা, কাজ করা। সেই পথ দেখিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আমরা সবাই সেই পথ অনুসরণকরেই এগিয়ে চলেছি। আমাদের চেয়ারপার্সনের দেখানো পথেই আমরা এগিয়ে যাব এবং মানুষের সেবা করে যাব। আমাদের দলের মূল স্তম্ভই হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়”।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার