গত দু’দিন ধরে রাজ্যে এক চরম বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিজেপি নেত্রী নূপুর শর্মা মহানবী হজরত মহম্মদ সম্পর্কে যে মন্তব্য করেছেন, তার প্রতিবাদে বাংলার নানা প্রান্তে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজন। হাওড়া, পার্ক সার্কাস নানান প্রান্তে চরম অরাজকতা।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুরোধের পরেও গত দু’দিন ধরে বিক্ষোভ-অবরোধ চলছেই হাওড়ার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে। শনিবার সকালেও অশান্তি ছড়ায় হাওড়ার পাঁচলায়। এই পরিস্থিতিতে অশান্তি ঠেকাতে আরও কঠোর হওয়ার বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
আজ, শনিবার সকালে টুইট করে মমতা বলেন, “আগেও বলেছি, দু’দিন ধরে হাওড়ার জনজীবন স্তব্ধ করে হিংসাত্মক ঘটনা ঘটানো হচ্ছে। কিন্তু এ সব বরদাস্ত করা হবে না। এ সবের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে”।
আগেও বলেছি, দুদিন ধরে হাওড়ার জনজীবন স্তব্ধ করে হিংসাত্মক ঘটনা ঘটানো হচ্ছে । এর পিছনে কিছু রাজনৈতিক দল আছে এবং তারা দাঙ্গা করাতে চায়- কিন্তু এসব বরদাস্ত করা হবে না এবং এ সবের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা হবে। পাপ করল বিজেপি, কষ্ট করবে জনগণ?
— Mamata Banerjee (@MamataOfficial) June 11, 2022
এই ঘটনায় বিজেপিকে দায়ী করেন মমতা বলেন, “পাপ করল বিজেপিম কষ্ট করবে জনগণ”। অর্থাৎ এই ঘটনার জন্য তিনি একপ্রকার বিজেপিকেই কাঠগড়ায় তুললেন।
উল্লেখ্য, বিজেপি নেত্রী নূপুর শর্মার হজরত মহম্মদ সম্পর্কিত মন্তব্যের কারণে গত বৃহস্পতিবার উলুবেড়িয়াতে ৬ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে রাখে মুসলিমরা। নবান্নের তরফে কড়া বার্তা দেওয়া হলেও কোনও লাভ হয়নি। প্রায় ১১ ঘণ্টা অবরোধ থাকে। এর জেরে চরম ভোগান্তি পোহায় সাধারণ মানুষ।
এরপর গতকাল, শুক্রবার সলপে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখানো হয়। টায়ার জ্বালিয়ে চলে বিক্ষোভ। ধূলাগড়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি করে বিক্ষোভকারীরা। এর জেরে গতকালই গোটা হাওড়া জেলার ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেয় প্রশাসন। হিংসা ঠেকাতে উলুবেড়িয়ার একাধিক জায়গায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে সরকারের তরফে।






