এর আগেও একাধিকবার তিনি রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগে এসেছেন। এবারও এর অন্যথা হল। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের (Shyama Prasad Mukherjee) জন্মজয়ন্তীতে ফের একবার বাংলার আইনশৃঙ্খলা (law and order) ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিয়ে রাজ্যকে তোপ দাগলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। তাঁর কথায়, তুষ্টিকরণের রাজনীতি বাংলার ভবিষ্যৎকে সংকটের মুখে দাঁড় করিয়েছে।
আজ, বুধবার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে গিয়ে রাজ্যপাল বলেন, “শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় দেশভাগের চক্রান্তকে প্রতিহত করেছিলেন। কিন্তু আজ বাংলার ভাগ্যাকাশে ফের সংকটের কালো মেঘ। তুষ্টিকরণের রাজনীতি গণতন্ত্রের জন্য বিপজ্জনক। ভারতের সংবিধান নিরপেক্ষ এবং সবার সমান অধিকার নিশ্চিত করে। ন্যায়বিচারের কথা বলে। কেন্দ্রীয় সরকার সেই নীতি মানলেও এরাজ্যে গণতন্ত্র বিপন্ন”।
এরপর রাজ্যের বিরুদ্ধে আরও সুর চড়িয়ে ধনখড় বলেন বাংলার মাটিতে তিনি কখনই গণতন্ত্রকে শেষ নিঃশ্বাস ফেলতে দেবেন না। তিনি বলেন, “বাংলার মানুষকে বলছি, প্রতিবাদ করুন। বুদ্ধিজীবীদের বলছি, প্রতিবাদ করুন”। বাংলার বুদ্ধিজীবীদের নীরব থাকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন রাজ্যপাল।
ধনখড়ের এহেন বক্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে তৃণমূলের তরফে। বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “রাজ্যপালের ভূমিকা দুর্ভাগ্যজনক। রাজ্যপালকে রাজ্যপালের মতো কাজ করতে হবে। উনি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের মতো কাজ করছেন। এর আগে বাংলায় অনেক রাজ্যপাল এসেছেন। কেউ এভাবে কথা বলেন নি”।
অন্যদিকে, রাজ্যপালের এহেন মন্তব্যের পর তৃণমূল সাংসদ শান্তনু সেন সরাসরি রাজ্যপালের অপসারণের দাবী তুলেছেন। তাঁর কথায়, “রাজ্যপাল বিজেপির তল্পিবাহকে পরিণত হয়েছে। বিজেপি নেতার ভূমিকায়, বিজেপি নেতার মতো কথা বলছেন। আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে আরজি জানাব, এই ধরণের অগণতান্ত্রিক রাজ্যপালকে অপসারণ করুন”।





“রাজনীতিতে তারকার খ্যাতি নয়, আদর্শ থাকা জরুরি!” “প্রত্যেককে নিরাপত্তা দেবে এমন একজনই হোক মুখ্যমন্ত্রী!” রাজনীতিতে তারকাদের ভূমিকা ও নির্বাচনে আদর্শহীন প্রার্থীদের নিয়ে অকপট লগ্নজিতা চক্রবর্তী!