বর্ষার মরশুমে বেশ জমিয়ে ভুট্টা খাওয়ার রেওয়াজ রয়েছে অনেকের মধ্যেই। চাল বা গমের মতোই ভুট্টাও আমাদের দেশে বেশ জনপ্রিয়। সে ভুট্টা সেঁকে তাতে নুন-লেবু দিয়ে খাওয়াই হোক বা ভুট্টা সেদ্ধ করে, সবই পছন্দের তালিকায় থাকে অনেকেরই।
বিদেশেও ভুট্টাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খাদ্যতালিকায় রাখা হয়ে থাকে। ভুট্টায় একাধিক পুষ্টিগুণ রয়েছে। ভুট্টায় কিছু বিশেষ উপাদান থাকে যা ক্যানসার, রক্তাল্পতা প্রতিরোধ করে। দৃষ্টিশক্তি স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে ভুট্টা। এছাড়াও ভুট্টার আর কী কী গুণাবলী রয়েছে, আসুন দেখে নিই-
কোষ্ঠকাঠিন্য তাড়ায়: এখন ডায়েটে ফাইবারের মাত্রা এতটাই কম থাকে যে প্রায় প্রত্যেক ব্যক্তিই কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভোগেন। তবে দেখা গিয়েছে, নিয়মিত ভুট্টা যদি খাওাহ্য, তাহলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমাতে পারে। ভুট্টা সেঁকে নিয়ে তার সঙ্গে লেবু নুন মাখিয়ে নিলেই তা দুর্দান্ত স্ন্যাক্স হয়ে যায়। এছাড়া ভুট্টা সেদ্ধ করেও খেতে পারেন।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: ভুট্টার মধ্যে রয়েছে ফেরুলিক অ্যাসিড যা শরীরে ইমিউনিটি বাড়ায়। এর মধ্যে একাধিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্টও রয়েছে যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়াও শরীরে তৈরি হওয়া ফ্রি র্যাডিকেলসকেও ধ্বংস করতে সাহায্য করে ভুট্টার মধ্যে থাকা নানান উপাদান।
হার্ট ও অস্থি: ভুট্টায় ম্যাগনেশিয়াম রয়েছে যে হাড় মজবুত করে। এর পাশপাশি হার্টের স্পন্দন স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। হৃদযন্ত্রের অন্যান্য সমস্যাও কমাতে সাহায্য করে। উচ্চ রক্তচাপ থাকলে তা নিয়ন্ত্রণে আনে।
রক্তাল্পতা দূরে রাখে: ভুট্টায় একাধিক খনিজ ও ভিটামিন থাকে। বিশেষ করে আয়রন থাকে যথেষ্ট মাত্রায়। এর ফলে লোহিতকণিকা ও প্লেটলেট উৎপাদনে ভুট্টা বিশেষ ভূমিকা নেয়। এর জেরে অ্যানিমিয়া প্রতিরোধ হয়। অন্যান্য রক্তের অসুখও দূরে থাকে।
ওজন হ্রাস: ভুট্টায় থাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার যা অনেকক্ষণ পেট ভর্তি রাখে। এর ফলে ভুট্টা খেলে তাড়াতাড়ি খিদে পায় না। ফলে শরীরে অতিরিক্ত ক্যালোরি প্রবেশ করে না। এর ফলে ওজনও নিয়ন্ত্রণে থাকে।






