পৃথিবীতে বহু মানসিকতার মানুষ দেখতে পাই আমরা। কারুর থাকার একটা বাড়ি নেই, তো কেউ একটা বাড়ি বানিয়ে আরও বাড়ি বানানোর চেষ্টায় রয়েছেন। কিন্তু এই দিনমজুর যা করে দেখালেন তা সত্যিই প্রশংসনীয়। রাজ্য সরকার যা করতে পারেনি তা করে দেখালো এই দিনমজুর।
আমতলা গ্রামের বাসিন্দা কার্তিক। অন্যের খেতে দিনমজুর খেটে দিনের পর দিন সংসার চালাচ্ছেন তিনি। বহুদিনের স্বপ্ন ছিল একটি পাকা বাড়ি বানানোর। তিল তিল করে টাকা জমিয়ে সেই বাড়ি তৈরি করেছিলেন কার্তিক বাবু।
অপরদিকে গ্রামের প্রাথমিক স্কুলের বাড়ি তৈরির কাজ আটকে আছে বহুদিন ধরে। পড়ুয়াদের অসুবিধার কথা মাথায় রেখে, তৈরি নিজের পাকা বাড়িটি ব্যবহার করতে দেন স্কুল কর্তৃপক্ষকে। কার্তিক পরিবার সহ এখনও থাকেন তাঁর পুরনো টিন টালির ঘরে।
কার্তিক জানিয়েছেন, ‘তাদের গ্রামের একমাত্র প্রাথমিক স্কুল ২০১৪ সাল থেকে বসত গাছ তলায়। রোদ, ঝড়, জলে খুবই কষ্ট হতো বাচ্চাগুলোর। তাই আমার বাড়িটা যখন তৈরি হয়ে গেল দিয়ে দিলাম স্কুল করার জন্য।’ জানা গেছে, সরকার এই স্কুল বাড়ি বানানোর প্রতিশ্রুতি দিলেও তা পূরণ করেনি।






