শাস্ত্র মতে, ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে কৃষ্ণ জন্মাষ্টমী পালিত হয়। ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের রোহিণী নক্ষত্রে অষ্টমী তিথিতে মথুরায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্ম হয়েছিল। এই বছর ১৮ অগাস্ট, বৃহস্পতিবার কৃষ্ণের জন্মোৎসব পালিত হবে। শোনা যায়, কৃষ্ণের জন্মের সময় কংসের কারাগারে ৬টি অলৌকিক ঘটনা ঘটেছিল। জেনে নেওয়া যাক কোন ৬ ঘটনা ঘটেছিল।
১. রোহিণী নক্ষত্রে জয়ন্তী যোগে জন্ম হয়েছিল শ্রীকৃষ্ণের : সেই সময় ভাদ্রপদ কৃষ্ণপক্ষের রাত্রির সাতটি মুহূর্ত সমাপ্ত হয় এবং অষ্টম মুহূর্ত উপস্থিত হয়।রোহিণী নক্ষত্র ও অষ্টমী তিথির সংযোগে জয়ন্তী নামক যোগে তাঁর জন্ম হয়। জ্যোতিষবিদদের মতে, কৃষ্ণের জন্মের সময়, রাত ১২টায় শূন্য কাল ছিল।
২. জন্মের সময় কারাগারে দর্শন দেন বিষ্ণু : স্বয়ং বিষ্ণু কারাগৃহে উপস্থিত হয়ে দেবকী ও বাসুদেবকে দর্শন দেন। তার পুণ্যফলের জন্যই দেবকী ও বাসুদেবের কাছে তিন বার অবতার নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। তৃতীয় জন্মে দেবকীর পুত্র কৃষ্ণ হিসেবে জন্মগ্রহণ করে তাঁর প্রতিশ্রুতি পুরো করেন বিষ্ণু। কৃষ্ণের জন্মের সময় মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছিল। সে সময় যমুনায় ঝড় বইছিল। কথিত আছে, সে দিনের আগে এমন বৃষ্টি কেউ দেখেনি।
৩. যোগমায়ার আবির্ভাব : কৃষ্ণ জন্মের সময় বিষ্ণুর আদেশে যোগমায়া প্রকট হয়ে দেবকী ও বাসুদেবের মন থেকে বিষ্ণুর দর্শন লাভ এবং তাঁদের পূর্বজন্মের স্মৃতি মুছে দেন।
৪. বসুদেবের যমুনা পার করা : কারাগার থেকে বসুদেব কৃষ্ণকে নিয়ে বেরিয়ে পড়েন। ওই সময় মুষল বৃষ্টি এবং যমুনায় ঝড় উঠেছিল। একটি ঝুরিতে কৃষ্ণকে শুইয়ে দেন এবং হেঁটে যমুনা পার করতে শুরু করেন। তখন শেষনাগ বালক কৃষ্ণের সাহায্যের জন্য সেখানে উপস্থিত হন। যমুনা প্রকট হয়ে নদী পার করার পথ তৈরি করে দেন।
৫. গোকূল পৌঁছলেন ছোট্ট শ্রীকৃষ্ণ : রাতের অন্ধকারে গোকুলে যশোদার কাছে পৌঁছন বাসুদেব। সেখানে নবজাতক কৃষ্ণকে শুইয়ে দিয়ে সেখান থেকে কন্যা সন্তানকে তুলে কারাগারে ফিরে আসেন।
৬. কারাগারে কংসের আগমন : দেবকীর পুত্রসন্তানকে বধ করার জন্য কারাগারে যান কংস। কিন্তু গিয়ে দেখেন কন্যা সন্তান নিয়ে শুয়ে আচেন বসুদেব এবং দেবকী।






