গতকাল, ১৩ই সেপ্টেম্বর বিজেপির নবান্ন অভিযানকে (Nabanna Abhiyan) ঘিরে হাওড়া ও কলকাতার একাংশ রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল। এই অভিযানে পুলিশ ও বিজেপি কর্মী একে অপরকে আক্রমণ করে। এর জেরে দু’পক্ষই আহত হন। এই ঘটনায় বেশ গুরুতর আহত হয়েছেন এই পুলিশ কর্তা (police offcer)। তিনি এসএসকেএমে চিকিৎসাধীন। তাঁকে ফোন করে তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)।
এই বিষয়ে সুকান্ত বলেন, “খোঁজ নিই ওঁ কেমন আছেন। হাজার হোক ওঁ মানুষ আমাদেরই মতন। কথা হল। খুব ভালো নেই বললেন। একটু অসুবিধা আছে। কথা বলতে পারছেন স্পষ্টভাবে। আশা করি কয়েকদিনের মধ্যে ঠিক হয়ে যাবে”।
বিজেপির এই নবান্ন অভিযানকে ঘিরে বেশ ধুন্ধুমার কাণ্ড বাঁধে হাওড়া ও কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে। বিজেপি কর্মীদের আটকাতে রাস্তায় রাস্তায় গার্ডরেল, ব্যারিকেড দেয়। মিছিলে বাধা দেয় পুলিশ। এর জেরে বচসা বাঁধে বিজেপি কর্মী ও পুলিশের মধ্যে। তা গড়ায় হাতাহাতিতেও। দু’পক্ষই আক্রমণ করে একে অপরকে। এর মধ্যে বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হন।
এদের মধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে দেবজিৎ চট্টোপাধ্যায় নামে এক পুলিশ কর্তার নাম। তিনি কলকাতার অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার পদে কর্মরত। ডিউটি করতে গিয়ে মারাত্মভাবে আহত তিনি। তাঁর চোখে গুরুতর চোট লাগে। বর্তমানে তিনি এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁর ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে।
পুলিশের উপর হামলা ও পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগে আজ, বুধবার সকালে বিজেপির বিরুদ্ধে ৬টি এফআইআর দায়ের করা হয়। ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশের বিরুদ্ধেও জুলুম করার অভিযোগ এনেছেন বিজেপি কর্মীরা। অনেক বিজেপি কর্মী হাসপাতালে ভর্তি। তাদের দেখতে হাসপাতালে যাবেন সুকান্ত মজুমদার। এদিকে, আহত পুলিশকর্তাকে দেখতে হাসপাতালে যাবেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।






