পুজো কার্নিভালের মঞ্চ থেকে ক্ষোভ প্রকাশ করে সেখান থেকে সোজা বেরিয়ে গেলেন পৌরসভার চেয়ারম্যান। বর্ধমান পৌরসভার চেয়ারম্যানের এই মঞ্চ ছেড়ে চলে যাওয়ার ঘটনায় বেশ চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। নানান গুঞ্জন শুরু হয়েছে এই নিয়ে।
সূত্রের খবর, বর্ধমান পৌরসভা ও পৌর কর্মীদের সেভাবে কার্নিভালে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। পৌরসভার তরফ থেকে বীরহাটায় মঞ্চ করা হয়েছিল। সেখানেও কার্নিভালের প্রদর্শন বন্ধ করে দেওয়া হয়। সেই খবর পেয়েই ক্ষোভ প্রকাশ করে মঞ্চ ছাড়েন বর্ধমান পৌরসভার চেয়ারম্যান পরেশ চন্দ্র সরকার। পৌরপতিকে এভাবে ক্ষোভে প্রকাশ করতে দেখে অবাক হয়ে যান উপস্থিত জনতাও। পৌরসভার চেয়ারম্যান মঞ্চ ছাড়লেও তাঁকে ফিরিয়ে আনতে সেভাবে কারও তৎপরতাও দেখা যায়নি।
জেলা প্রশাসনের তরফে এই কার্নিভাল আয়োজন করা হয়েছিল বটে, তবে এই কার্নিভালের সাফল্যের কৃতিত্ব দেওয়া হয় বর্ধমান দক্ষিণ বিধায়ক খোকন দাসকে। কৃতজ্ঞতা স্বরূপ জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা বিধায়ক খোকন দাসের হাতে বিশাল আকারের পুষ্পস্তবক তুলে দেন।
কিন্তু এদিকে বর্ধমানের পৌরসভার চেয়ারম্যানকে বক্তব্য রাখতেও আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। এরপরই পৌরসভার চেয়ারম্যান পরেশ চন্দ্র সরকার চেয়ার ছেড়ে উঠে যান। জেলাশাসকের কাছে ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে মঞ্চ ছাড়েন তিনি। যদিও তাঁকে আটকানোর তেমন কোনও প্রচেষ্টা দেখা যায়নি।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই কার্নিভাল সফল করার জন্য ও বর্ধমান শহরের সৌন্দর্য বাড়াতে বর্ধমান পৌরসভার তরফে যথেষ্ট অর্থ খরচ করা হয়েছে। কিন্তু সেই বিষয়টি সামনে আনা হয়নি। সবকিছুতেই প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে বিধায়ক খোকন দাসকে। আর এই নিয়েই বিধায়কের সঙ্গে পুরপ্রধানের একটা দূরত্ব তৈরি হয়েছে। আর এদিনের ক্ষোভ সেই দূরত্বেরই বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করা হচ্ছে।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার