মুখ্যমন্ত্রীকে সামনে পেয়েই ঘিরে ধরলেন ঝাড়গ্রামের আদিবাসী মহিলারা, সকলের অভাব-অভিযোগ মেটানোর আশ্বাস মমতার

বারবারই তিনি প্রমাণ করেছেন যে তিনি যতই প্রশাসনিক প্রধান হন না কেন, তিনি আসলে আমজনতারই একজন। সেই কারণেই মুখ্যমন্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও সকলের সঙ্গে মিশে যান তিনি। তাঁর ঝাড়গ্রামের সফরেও এমনটাই ঘটল। আজ, মঙ্গলবার বিকেলে বেলপাহাড়ী ও শিলদায় আদিবাসীদের বাড়ি গেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সকলের অভিযোগ শুনে তা মেটানোর আশ্বাসও দিলেন তিনি।

আজ, মঙ্গলবার দুপুরে বেলপাহাড়ীতে সভা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকে ফেরার পথে বেলপাহাড়ী ও শিলদায় আদিবাসীদের বাড়ি যান তিনি। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল আদিবাসীরা রাজ্যের প্রকল্পগুলির সুবিধা পাচ্ছেন কী না, তা খতিয়ে দেখা। সেখানে গিয়েই একটি শিশুকে কোলে তুলে নেন তিনি। এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গেও কথা বলেন।

এদিন মুখ্যমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে নিজেদের অভাব-অভিযোগ তুলে ধরেন আদিবাসী মহিলারা। জানান, একশো দিনের কাজের টাকা থেকে শুরু ঘর, একাধিক বিষয়ে অভিযোগ জানান তাঁরা। কেউ আবার প্রশ্ন করেন, “ঘর-জল কিছুই পাইনি, কবে পাব”?।

তাদের সকলের অভিযোগ শুনে সাধ্য মতো সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন তিনি। বলেন, “২০২৪ সালের মধ্যে সমস্যা মিটবেই”। কিছুক্ষণ সেখানে কাটিয়ে ফের গাড়িতে রওনা দেন তিনি। সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন, তাঁর আগে মুখ্যমন্ত্রীর এই জনযোগ কর্মসূচী অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

তবে এই প্রথমবার নয়। এর আগেই অনেকবার এমন চিত্র সামনে এসেছে যেখানে মুখ্যমন্ত্রীকে আমজনতার মাঝে মিশে যেতে দেখা গিয়েছে। কখনও কোনও চায়ের দোকানে ঢুকে চা বানিয়েছেন তো কোনও দোকানে খুন্তি নেড়েছেন। পাহাড়ে গিয়ে রাস্তার ধারের দোকানে মোমো বানিয়েছেন। আজও বেলপাহাড়ী থেকে ফেরার পথে এক দোকানে ঢুকে চপ বিক্রি করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

RELATED Articles