গ্রামে ঢুকতেই ঘিরে ধরলেন স্থানীয়রা, প্রকল্প থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ এনে ৩০ মিনিট ‘দিদির দূত’কে দাঁড় করিয়ে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের

পঞ্চায়েত ভোটের আগে জনসংযোগ বাড়ানোর জন্য ‘দিদির সুরক্ষাকবচ’ নামের নতুন এক কর্মসূচি এনেছে তৃণমূল। জেলায় জেলায় যাচ্ছেন ‘দিদির দূত’। সকলের অভাব-অভিযোগ শুনছেন তারা। অনেক তৃণমূল নেতা-নেত্রীই কর্মসূচিতে গিয়ে আমজনতার বিক্ষোভের মুখে পড়ছেন। এবার হাসনাবাদে কর্মসূচিতে গেলে ‘দিদির দূত’কে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখালেন গ্রামবাসীরা।

উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট উত্তর বিধানসভায় ‘দিদির দূত’ কর্মসূচিতে গিয়েছিলেন মিনাখাঁর বিধায়িক ঊষা রানি মণ্ডল। সঙ্গে ছিলেন তৃণমূলের মিনাখাঁ বিধানসভার চেয়ারম্যান, মৃত্যুঞ্জয় মণ্ডল ও হাসনাবাদ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এস্কেন্দার গাজি। অভিযোগ, বসিরহাট উত্তর বিধানসভার আমলানি গ্রাম পঞ্চায়েতের হরিপুরে দিদির দূত জনসংযোগ কর্মসূচিতে যাওয়া মাত্রই তাঁদেরকে গ্রামবাসীরা ঘিরে ধরেন। এরপর বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তারা।

বিক্ষোভকারীদের একজনের কথায়, “দীর্ঘদিন বসিরহাট উত্তরের বিধায়ক রফিকুল ইসলাম মণ্ডল এলাকায় আসেন না। কোনও খোঁজ খবর নেন না। বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্প থেকে আমরা বঞ্চিত হয়েছি। এখানে দীর্ঘদিন রাস্তা খারাপ। বারবার বিধায়ককে জানানো সত্বেও তিনি কর্ণপাত করেননি”।

সকলের অভিযোগ শোনার পর তাদের সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন মিনাখাঁর বিধায়ক ঊষারানি মণ্ডল। এর পাশাপাশি সরকারের পনেরোটি সামাজিক প্রকল্পের সুবিধা তাঁরা  পেয়েছেন কী না, তাও জানতে চান তিনি। বিধায়ক বলেন, “আর কতটুকু দরকার? সব আমাদের বিস্তারিত বলুন। আগামী দিনে আপনাদের সমস্যার সমাধান হবে”।

এদিন প্রায় ৩০ মিনিট ধরে ‘দিদির দূত’-এর গাড়ি ঘেরাও করে রাখেন গ্রামবাসীরা। বিক্ষোভ দেখান সকলে। তাদের দাবী, “এখানকার বিধায়ককে এখানে আসতে হবে। না হলে আমাদের কথা দিয়ে যেতে হবে”।

আরও অন্যান্য খবর