স্ত্রী বনাম বান্ধবী! বৈশাখীকে অশ্লীল মন্তব্য করার অভিযোগ রত্নার অনুগামীদের বিরুদ্ধে, পাল্টা শোভন-বান্ধবীকে ‘ছেলেধরা’ বলে কটাক্ষ শোভন-স্ত্রীর

ফের একবার বাকযুদ্ধে জড়ালেন রত্না চট্টোপাধ্যায় ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈশাখীকে ভয় দেখানো, অশ্লীল মন্তব্য করার অভিযোগ উঠল রত্নার অনুগামীদের বিরুদ্ধে। এই নিয়ে পাল্টা তোপও দাগলেন বেহালা পূর্বের বিধায়ক। শোভন-বান্ধবীকে ‘ছেলেধরা’ বলে কটাক্ষ করলেন রত্না।

গতকাল, সোমবার শোভন-রত্নার বিবাহবিচ্ছেদের মামলার জন্য তারা গিয়েছিলেন আদালতে। এদিন শোভন চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে ছিলেন তাঁর বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈশাখী এদিন আদালত চত্বরে দাঁড়িয়ে অভিযোগ করেন যে রত্না চট্টোপাধ্যায় প্রচুর লোকজন নিয়ে আদালতে যাচ্ছেন। তারা নানানভাবে ভয় দেখাচ্ছে তাঁকে।

বৈশাখীর অভিযোগ, অনুমতি ছাড়াই তাঁর ছবি তোলা হচ্ছে। এই নিয়ে সরাসরি তিনি বিধায়ককে আক্রমণ করেন। রত্নার অনুগামীদের বিরুদ্ধে অশ্লীল মন্তব্য করার অভিযোগ আনেন বৈশাখী। পাল্টা রত্না বলেন, “ভয়ের কোনও কারণ নেই। উনি তো ছেলেধরা। কেউ ওনাকে কিছু করবে না”। রত্না এও জানান যে প্রয়োজনে আরও বেশি লোকজন নিয়ে যাবেন তিনি।

এদিন ফের একবার শোভন ও বৈশাখীকে আক্রমণ করেন রত্না। তাঁর কথায়, “কেন সিঁদুর পড়েন বৈশাখী? ওনার তো ডিভোর্স হয়ে গেছে। নিজের মেয়েটাকে কেন বারবার আমার স্বামীর সন্তান বলে সব জায়গায় পরিচয় দেওয়ার চেষ্টা করছেন”?

২০২১ সালে পুজোর আগে অন্যরূপে দেখা গিয়েছে শোভন-বৈশাখীকে। একই রঙের পোশাকে হাতে হাত রেখে দুজনকে নাচতেও দেখা গিয়েছে। সেই প্রসঙ্গ তুলে এদিন বৈশাখী-শোভনকে তোপ দাগেন রত্না। বলেন, “উনি নোংরা। এমনতিই টিভিতে যেভাবে নেচেছে ওনাদের কেউ ভদ্রলোক বলে না”।

উল্লেখ্য, প্রায় গত পাঁচ বছর ধরে শোভন চট্টোপাধ্যায় ও রত্না চট্টোপাধ্যায়ের বিবাহবিচ্ছেদ মামলা চলছে। অন্যদিকে অবশ্য শোভন ও বৈশাখী দু’জনেই নিজেদের সংসার গুছিয়ে নিয়েছেন। নিজের সমস্ত স্থাবর-অস্থাবরর সম্পত্তি বৈশাখীর নামে লিখে দিয়েছেন কলকাতার প্রাক্তন মেয়র। অন্যদিকে আবার বৈশাখীও গোলপার্কে শোভনের ফ্ল্যাট কিনে নিয়েছেন।

RELATED Articles