চলছে রঙের উৎসব। গতকাল দোলের পর আজ মানুষ মেতে উঠেছে হোলির উৎসবে। আর এরই মাঝে বড়সড় হাওয়া বদলের ইঙ্গিত দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, আগামী বৃহস্পতিবার থেকেই বাংলার পাঁচ জেলায় হবে বৃষ্টি। রবিবার থেকে আবার তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করবে।
আজ, হোলির দিন আকাশ পরিষ্কারই ছিল। বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই এদিন। শুষ্ক পরিবেশ। তবে হাওয়া অফিসের কথায়, আগামীকাল, বৃহস্পতিবার থেকে আকাশ ঢাকবে মেঘে। এদিন সকালের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২২.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা স্বাভাবিকের চেয়ে এক ডিগ্রি বেশি। গতকাল, মঙ্গলবারের তাপমাত্রাও এমনই ছিল। ওইদিন বিকেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, ছত্রিশগড় থেকে মহারাষ্ট্র পর্যন্ত একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা অবস্থান করছে। ফলে ঝাড়খন্ড এবং ওড়িশা সংলগ্ন জেলাগুলিতে আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার বাংলার পশ্চিমের জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর।
ইতিমধ্যেই দক্ষিণবঙ্গে দিনের তাপমাত্রা বেড়েছে। জেলায় জেলায় হাওয়ার বদল হতে পারে। রবিবার থেকে গরম আরও বাড়বে বলে জানা গিয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি বা তার বেশি পৌঁছতে পারে। পশ্চিমের শুকনো ও গরম বাতাস ঢুকছে বাংলায়। তার ফলেই পশ্চিমের জেলাগুলির তাপমাত্রা একধাক্কায় বাড়তে পারে অনেকখানি। এদিকে, উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ে আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টি চলবে। এরপর থেকে শুষ্ক আবহাওয়া।
প্রকৃতিগত কারণে উত্তরবঙ্গে পাহাড় লাগোয়া জেলাগুলিতে মাঝেমধ্যেই বৃষ্টি হয়ে থাকে। তবে দক্ষিণবঙ্গে দীর্ঘদিন বৃষ্টি হয়নি। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস বলছে, চলতি সপ্তাহেই দক্ষিণের একাধিক জেলাও ভিজতে চলেছে। তবে এই মুহূর্তে কলকাতায় কোনও রকম ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।
চলতি মরশুমে শীতও তেমন পড়ে নি বঙ্গে। হাতেগোনা মাত্র কয়েকটা দিন ছাড়া সেভাবে কনকনে ঠাণ্ডার আমেজ পায়নি বঙ্গবাসী। আবার সময়ের আগেই বিদায় নিয়েছে শীত। শীতের সব উৎসবই কেটেছে গরম গুমোট আবহাওয়ার মধ্যে। দোলও বেশ উষ্ণ এই বছর। এবার বসন্তে অসময়ে হতে চলেছে বৃষ্টিও।





