বর্তমানে বাংলা টেলিভিশনের স্টার জলসার পর্যায়ে যে কটি নতুন ধারাবাহিক রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হলো মেয়ে বেলা। শুরু থেকেই টিআরপি তালিকায় সেভাবে জনপ্রিয়তা অর্জন করতে না পারলেও দিনে দিনে বেশ ভালোই দর্শকমহলের মন জয় করছে এই ধারাবাহিক। যখন প্রোমো দেখানো হয়েছিল তখনই বোঝা গিয়েছিল অসাধারণ সুন্দর একটা কাস্টিং নিয়ে শুরু হতে চলেছে মেয়ে বেলা। আর গল্পটাও ছিল খুবই সাধারণ কিন্তু অত্যন্ত সুন্দর।
আমাদের সমাজে বা বাড়িতে একটা কথা খুব প্রচলিত আছে যে মেয়েরাই মেয়েদের শত্রু আর এই কথাটাকেই ভুল প্রমাণ করতে এসেছে মেয়ে বেলা ধারাবাহিকটি। আসলে কেউ কারো শত্রু নয়, সমাজ এবং পরিবারের চাপে নিজেদের না পাওয়া গুলোকে দমিয়ে রাখতে রাখতে কিভাবে একে অপরের বন্ধু হয়ে ওঠে, সেই গল্পই দেখানো হচ্ছে মেয়ে বেলাতে। তবে নায়ক নায়িকা ছাড়া কে আর সিরিয়াল চলে তাই এই ধারাবাহীকেও নায়ক নায়িকা রয়েছে নির্ঝর এবং মৌ।

যাদের বৈবাহিক সম্পর্ক পরিস্থিতির চাপে পড়ে হলেও নায়কের চরিত্রটি এত সুন্দর আর ম্যাচিউর দেখানো হচ্ছে যা দেখে মুগ্ধ দর্শক। ১২ বছরের সম্পর্ক ছেড়ে মৌকে বিয়ে করতে হয়েছে নির্ঝরকে। কিন্তু নির্ঝরের মা এখনো চাঁদনীর সঙ্গেই নির্ঝরের সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে চাইছে। যার জন্য একের পর এক চাল চালছে। সম্প্রতি একটি পর্বে দেখা গেছে বিথি সকলের কাছে ভালো সেজে নির্ঝর আর চাঁদনীর রাতে কথা বলার ঘটনাটা সামনে এনেছে।
দৃশ্যটিতে দেখানো হয়েছে,ডোডো বলছে “হ্যাঁ-আমি চাঁদনিকে রং মাখিয়েছি …চাঁদনীও আমায় রং মাখিয়েছে এবং সেটা মাঝরাতে-ই হয়েছে ….আমি চাঁদনীকে ডাকিও-নি !!!কিন্তু মা এই সামান্য ঘটনাকে যে ব্যাখ্যাটা করছে তা পুরোপুরি ভুল এবং মিথ্যে ।কিন্তু মা আমি বুঝতে পারছি না তুমি কতটুকু দেখেছো বা বুঝেছো!!! কিন্তু তুমি যদি পুরো ঘটনাটা-ই দেখে থাকো তাহলে এতোটা ভুল বুঝছো কি করে!!!! সত্যি-ই আমার মাথায় আসছে না …!!!**আমার মনে হয় তুমি অর্ধেক দেখেছো আর অর্ধেক শুনেছো …এই অর্ধ্ সত্য না মিথ্যের থেকে-ও ভয়ঙ্কর !!!!মা.!!!আমি নিজে কোনো ভুল করিনি কোনো অন্যায় করিনি আর চাঁদনীকে-ও করতে দেইনি!!!!!!
তবে এত কিছু দেখে এক নেটিজেনের বক্তব্য, “বীথিকা মিত্রকে বুঝতে হবে ডোডো চাঁদনীর প্রতি ভালোবাসা ভুলেনি তবে মৌকে যে আইনগতভাবে আর সামাজিক ভাবে স্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে সেটা-ও ভুলেনি কিন্তু তাই তো ডোডো সবার সামনে বলে দিয়েছে চাঁদনীকে-ও অনভিপ্রেত কিছু করতে-ও দেয় নি!! যতো-ই এ বিয়ে সমঝোতার বিয়ে তাহলে-ও সেটা তো বিয়ে-ই ..!!! ডোডো কিন্তু যথেষ্ট বিরক্ত আর এ ভাবে চাঁদনী যদি ডোডো আর মৌর মাঝে ঢুকে যায় তাহলে চাঁদনীর জন্যে যা কিছু ভালোবাসা জমা ছিল তা ক্রমশ ফিকে হয়ে যাবে !!!! বীথিকা মিত্রর এই খেলা আর বেশিদূর যাবে না। অসাধারণ সংলাপ আর গল্পের বুনোট। নির্ঝর চরিত্রটা খুব ম্যাচিউর।”






