প্রকাশ্য রাস্তায় তাণ্ডব চালাল এক যুবক। চপার দিয়ে এলোপাথাড়ি একের পর এক কোপ বসাল পথচলতি মানুষকে। এই ঘটনায় জখম হয়েছেন ৬ জন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে আতঙ্ক ছড়ায়। শেষমেশ যুবককে ধরে ফেলে স্থানীয় যুবকরা। আহতদের ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। কেন ওই যুবক এমন ঘটনা ঘটাল, তা স্পষ্ট নয়। পুলিশ গ্রেফতার করে যুবককে। ঘটনাটি ঘটেছে বর্ধমানের বাতানপাড়া এলাকায়।
পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে খবর, অভিযুক্ত যুবকের নাম সেখ সফি। বাতানপাড়ায় একটি বাড়িতে ভাড়া থাকে সে। পেশায় সে একজন রিক্সা চালক। তবে অধিকাংশ সময়ই নেশায় বুঁদ হয়ে থাকত সফি। গতকাল সন্ধ্যেবেলাতেও নেশা করেছিল বলে জানা গিয়েছে।
এরপরই রাস্তায় বেরিয়ে পথ চলতি মানুষকে পরপর কোপাতে শুরু করে সফি। তা দেখে স্থানীয়রা রীতিমতো আতঙ্কিত হয়ে ওঠেন। শেষমেশ এলাকার কিছু যুবক ধরে ফেলে তাকে। তবে ততক্ষণে তার চপারের কোপে ৬ জন জখম হন। পরে স্থানীয়রা তার কাছ থেকে চপার কেড়ে নিয়ে বেধড়ক মারধর করে তাকে।
এই ঘটনার খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছয় পুলিশ। বর্ধমান থানার পুলিশ সফিকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করে। প্রসঙ্গত, গতকালই মালদহের একটি স্কুলে বন্দুক, অ্যাসিড নিয়ে ঢুকে পড়েছিল এক যুবক। সে ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই বাতানপাড়ায় যুবকের ওই তাণ্ডবে এলাকায় আতঙ্ক ছড়ায়।
স্থানীয়দের কথায়, সফি সন্ধ্যে হলেই প্রতিদিন নেশা করত। এর আগেও সে এমন ধরণের ঘটনা ঘটিয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা। নেশার ট্যাবলেট খেয়ে নেশা করত ওই যুবক, এমনটাই জানা গিয়েছে।
এক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, “পথ চলতি মানুষকে এবং বাড়িতে ঢুকে কোপাতে শুরু করে সফি। তাকে কিছুতেই আটকানো যাচ্ছিল না। তাকে থামানোর জন্য পাড়ার ছেলেরা মারধর করেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দিনের বেলাতে সফি রিক্সা চালালেও তাকে দেখে বোঝা যায় না। সে ভাড়া ঠিকঠাক নেই। তবে রাত হলে সফি রিক্সা চালায় না। সে নেশায় মত্ত হয়ে ওঠে”।






