পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে মনোনয়ন পর্ব থেকেই রাজ্যের নানান জায়গায় শুরু হয়ে গিয়েছে অশান্তি। একাধিক জায়গা থেকে উঠে এসেছে হিংসার খবর। প্রাণহানির খবরও এসেছে একাধিক। এবার এই নিয়ে ফের একবার প্রশাসনকে তোপ দাগলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। তাঁর কথায়, বাছাই করে রিপোর্ট পাঠানো হচ্ছে তাঁকে। এবার তাই উত্তপ্ত এলাকা সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে চান তিনি।
মনোনয়ন পর্বে তুমুল অশান্তির খবর মেলে ক্যানিং থেকে। সেই সময় সেখানে গিয়ে খোঁজখবর নেন রাজ্যপাল। এবার উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়েও রাজ্যপাল জানান যে তিনি স্থানীয়দের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে চান। আসল পরিস্থিতিটা খতিয়ে দেখতে চান তিনি।
এদিন শিলিগুড়িতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকা পঞ্চায়েত ভোটকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। তাই আমি গ্রাউন্ড জিরোতে গিয়ে দেখতে চাই সন্ত্রাস আর হিংসার ছবিটা কতখানি ভয়ংকর। আহত এবং নিহতদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে চাই। ভোটের অশান্তিতে তাঁদের জীবন কতটা প্রভাবিত, জানতে চাই”।
রাজ্যপালের কথায়, “স্থানীয়দের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে তাঁদের থেকে সমস্যাগুলো না শুনলে পুরোটা বোঝা যাবে না। কারণ আমার কাছে সন্ত্রাসের যে রিপোর্ট এসে পৌঁছায়, তা ছাড়াই-বাছাই করে পাঠানো হয়”।
রাজ্যপাল জানান, শুধুমাত্র দার্জিলিংই নয়, যেখানেই ভোটকে কেন্দ্র করে অশান্তি হয়েছে, তিনি সেখানেই যেতে চান। দার্জিলিংয়ের পাশাপাশি আপাতত মুর্শিদাবাদ, দুই দিনাজপুর, জলপাইগুড়ির নানান জায়গায় যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন তিনি। তাঁর এহেন সিদ্ধান্তে রাজ্যপালকে পক্ষপাতদুষ্ট বলে আক্রমণ করে তৃণমূলের জয়প্রকাশ মজুমদার।
তৃণমূল নেতার কথায়, যে সমস্ত জায়গায় বিরোধী দলের কেউ আক্রান্ত হয়েছেন, রাজ্যপাল বেছে বেছে সেসব জায়গাতে যাচ্ছেন। জয়প্রকাশের দাবী, বিজেপি জেন রাজ্যপালকে বলে দিচ্ছে কোথায় কোথায় যেতে হবে। পক্ষপাতদুষ্ট কাজ করছেন তিনি। এভাবে রাজনৈতিক সফর করলে তাঁর সম্মান থাকবে না। রাজ্যপাল বিজেপির এজেন্ট কিংবা মুখপাত্র হিসেবে কাজ করছেন মনে হবে বলে দাবী তৃণমূল নেতার।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার