গত বছরের ২১শে জুলাই শহিদ সমাবেশের মঞ্চে দাঁড়িয়ে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ‘আমাকে বরুণদেব আশীর্বাদ করেন”। বৃষ্টি মাথায় নিয়েই চলেছিল সমাবেশ। আজও এক ২১শে জুলাই। প্রতি বছরের মতো এই বছরও ধর্মতলায় ভিড় জমিয়েছেন হাজার হাজার তৃণমূল কর্মী-সমর্থক। শহরজুড়ে যেন আজ এক উৎসব। কিন্তু প্রবল বৃষ্টিতে কী সমস্ত কিছু পণ্ড হয়ে যাবে? কী জানাল আলিপুর আবহাওয়া দফতর?
হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। তবে বাংলার উপর এর সরাসরি কোনও প্রভাব পড়বে না। মূলত তেলেঙ্গনা, ওডিশায় এর জেরে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে একুশে জুলাইয়ের সকাল থেকেই কার্যত আকাশের মুখ ভার।
বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা কী রয়েছে এদিন?
আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, ২১শে জুলাই উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, কলকাতা, হাওড়া, ঝাড়গ্রাম এবং বাঁকুড়া জেলায় বিক্ষিপ্ত ভাবে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। তবে গোটা রাজ্যে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে শুক্রবার। দার্জিলিং, কালিম্পং-সহ উপরের দিকের জেলাগুলিতে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে।
কেমন তাপমাত্রা থাকবে আজ?
আজ, শুক্রবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ৩৩ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। গতকাল, বৃহস্পতিবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩.৬ ডিগ্রি, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি এবং শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৮.৫ ডিগ্রি, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। এদিন বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ সর্বাধিক ৮৮ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ৬৮ শতাংশ।
দক্ষিণবঙ্গে বজায় থাকবে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি। তবে এরই মাঝে একাধিক জায়গায় বিক্ষিপ্ত ভাবে কয়েক পশলা বৃষ্টি হতে পারে। প্রসঙ্গত, আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির ঘাটতি রয়েছে। বেশ কিছু জায়গায় ৫০ শতাংশের বেশি ঘাটতি রয়েছে বলে জানাল আলিপুর আবহাওয়া দফতর।





