ফের চোখ রাঙাচ্ছে নিম্নচাপ, দক্ষিণবঙ্গে কবে হবে তুমুল ঝড়বৃষ্টি? কী জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর?

বর্ষাকাল যে চলছে তা আবহাওয়া দেখলে বোঝাই যায় না। ভরা বর্ষাকাল অথচ ঝেঁপে মুষলধারে বৃষ্টির কোনও চিহ্নই নেই। হালকা বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির জেরে ভ্যাপসা গরম বাড়ছে। আর তাতে বঙ্গবাসীর প্রাণ ওষ্ঠাগত। বাতাসে এতটাই আর্দ্রতা রয়েছে যে অল্প বৃষ্টিতে তাপমাত্রার কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না। আপাতত দক্ষিণবঙ্গে ঝেঁপে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই জানাল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। তবে বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ তৈরি হচ্ছে। তাই বৃষ্টির সামান্য আশা জাগছে দক্ষিণবঙ্গবাসীর মনে।

নতুন করে তৈরি হচ্ছে নিম্নচাপ

হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, পশ্চিম মধ্য ও উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ ওড়িশা ও উত্তর অন্ধপ্রদেশ সংলগ্ন উপকূলে নতুন করে নিম্নচাপ তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। এই নিম্নচাপ শক্তি বাড়িয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। অন্যদিকে আবার গুজরাতের কচ্ছ সংলগ্ন এলাকায় এবং মধ্যপ্রদেশ বিদর্ভ ছত্তীশগড় সংলগ্ন এলাকায় তৈরি হচ্ছে একটি ঘূর্ণাবর্ত।

আবহবিদদের কথায়, দক্ষিণ ওড়িশা উপকূলের নিম্নচাপ এলাকার উপর দিয়ে মৌসুমী অক্ষরেখা পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বদিকে এগিয়ে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত গিয়েছে। এর প্রভাবে উপকূলবর্তী এলাকাগুলোতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

দক্ষিণবঙ্গে কী বৃষ্টি আদৌ হবে?

আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী কয়েকদিনে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির ঘাটতি পূরণের কোনও সম্ভাবনা নেই। তবে ২৭ জুলাই থেকে উত্তরবঙ্গের দু-তিন জেলায় ফের ভারী বৃষ্টি হতে পারে। সপ্তাহান্তে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে বিক্ষিপ্তভাবে দু’ এক পশলা ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে জানাচ্ছে হাওয়া অফিস।

আজ, মঙ্গলবার সকালে কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৮.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল, সোমবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৬৬ থেকে ৯২ শতাংশ।

আরও অন্যান্য খবর