করোনা সময় রাজ্যের স্কুলছুটের সংখ্যা বেশ বেড়েছিল। এমনিতেই স্কুলছুট রোখার জন্য সাইকেল প্রদান, কন্যাশ্রী-সহ একাধিক প্রকল্প শুরু করেছে রাজ্য সরকার। এবার মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়াতেও উদ্যোগ নিল মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। প্রত্যেক মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী পিছু এবার থেকে বিশেষ অনুদান পাবে স্কুলগুলি। এমনটাই বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়েছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের তরফে।
এই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এবার থেকে নিয়মিত ছাত্র-ছাত্রীদের সংখ্যা অনুযায়ী মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী পিছু বিশেষ ভাতা দেওয়া হবে স্কুলগুলিকে। প্রত্যেক মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী পিছু ১০ টাকা করে ভাতা পাবে স্কুল। মাধ্যমিক পরীক্ষায় যাতে ছাত্রছাত্রীরা ঠিকমতো বসতে পারে, সুষ্ঠুভাবে যাতে তারা পরীক্ষা দিতে পারে, তার জন্যই এই টাকা দেওয়া হবে স্কুলগুলিকে। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই এই ভাতা চালু হবে বলে জানিয়েছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ।
জানা যাচ্ছে, মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের মাথাপিছু ১০ টাকা হিসাব করে মোট পরীক্ষার্থী বাবদ টাকা দেওয়া হবে স্কুলের তহবিলে। মাধ্যমিক পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পরই পুরো টাকা পাবে স্কুল। মধ্যশিক্ষা পর্ষদের মতে, নিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসাবে মাধ্যমিক পরীক্ষায় ছাত্র-ছাত্রীদের উৎসাহ দিতেই মাথাপিছু ১০ টাকা করে বিশেষ ভাতা দেওয়া হচ্ছে স্কুলগুলিকে।
সম্প্রতি পর্ষদের তরফে পড়ুয়াদের সার্টিফিকেটের বানান সংশোধনের ফি অক্ষর পিছু হাজার টাকা করা হয়েছে। এর আগে এর জন্য শিক্ষক-শিক্ষিকারা ৫০ টাকা পেতেন। এখন সেই অঙ্ক বাড়িয়ে ১০০০ টাকা করা হয়েছে যা নিয়ে বেশ বিতর্ক শুরু হয়েছে।
তবে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর মাথাপিছু ভাতা দেওয়া নিয়েও চর্চা কম নয়। শিক্ষক সংগঠনগুলির মতে, বর্তমানে মূল্যবৃদ্ধির বাজারে মাথাপিছু ১০ টাকা বাড়িয়ে কী লাভ? এই ১০ টাকায় একটা পেনের বেশি কিছুই হবে না বলে যুক্তি তাদের।





