একযোগে ইস্তফা ৪ বিধায়কের! আরও এক রাজ্যে সংকটে কংগ্রেস

মধ্যপ্রদেশ রাজ্যে কংগ্রেস ভাগনের খেলা এবার গুজরাট কংগ্রেসেও(Congress) । রাজ্যসভা নির্বাচনের আগে দল থেকে ইস্তফা দিলেন কংগ্রেসের ৪ বিধায়ক। এর জন্য আগামী ২৬ মার্চ রাজ্যসভা নির্বাচনে নিজেদের দ্বিতীয় প্রার্থীকে জেতাতে চাপে পড়ে যেতে হবে কংগ্রেসকে। যদিও কংগ্রেসের দাবি, তাঁদের কোনও বিধায়কই ইস্তফা দেননি।

কিছুদিন আগেই গুজরাট বিজেপির এক শীর্ষ নেতা দাবি করেছিলেন, কংগ্রেসের অন্তত ১৩ জন বিধায়ক তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন। রাজ্যসভা নির্বাচনে এঁরা প্রক্যেকেই ক্রস-ভোটিং করতে পারেন। এবং, রাজ্যসভা নির্বাচনের পরপরই ওনারা বিজেপিতে যোগ দেবেন। এ খবর প্রকাশ্যে আসতেই নড়েচড়ে বসে কংগ্রেসের তাবড় নেতারা। ঠিক করা হয় এক এক করে বিধায়কদের কংগ্রেস শাসিত রাজ্যে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। সেইমতো প্রথম দিন ১১ জনকে এবং রবিবার আরও কিছু বিধায়ক রাজস্থান যাওয়ার কথা। কিন্তু, তার আগেই পাঁচজন বিধায়ক ইস্তফা দিয়েছেন বলে খবর আসছে। সূত্রের খবর, ওই ৪ বিধায়ক ইতিমধ্যেই স্পিকারের কাছে ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন। যদিও, দল তাঁদের ইস্তফার কথা অস্বীকার করেছেন।

আগামী ২৬ মার্চ রাজ্যসভার চার আসনের জন্য নির্বাচন হবে। ১৮২ আসন রয়েছে গুজরাট বিধানসভায়, (Gujarat Legislative Assembly)তার মধ্যে বিজেপির দখলে আছে ১০৩টি আসন। কংগ্রেস শিবিরে আপাতত আছে ৭৩ জন বিধায়ক। এই চারজনের ইস্তফাপত্র যদি গৃহীত হয়, সেক্ষেত্রে কংগ্রেসের বিধায়ক কমে দাঁড়াবে ৬৮। রাজ্যসভার একেকটি আসনে জয়ের জন্য প্রয়োজন ৩৭ জন করে বিধায়কের ভোট। বিজেপি এবং কংগ্রেসের মিলিত যা শক্তি ছিল তাতে দুই দল দুটি করে আসন জিততে পারত। বিজেপি নিজেদের শক্তিতেই দুটি আসন জিততো। আর কংগ্রেস নির্দল বিধায়ক জিগনেশ মেবানির জন্যে দুটি আসন জিততে পারতো। কিন্তু, এই চার বিধায়ক পদত্যাগ করায় কংগ্রেসের দ্বিতীয় আসন জইলাভ নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিজেপি আশাবাদী, কিছু কংগ্রেস বিধায়ক ক্রস ভোটিং করবেন এবং শেষপর্যন্ত তাঁদের তৃতীয় প্রার্থী জয়লাভ হবেন।

আরও অন্যান্য খবর