বালি, কয়লা চুরি নিয়ে রাজ্যে কম জলঘোলা হয়নি। এই চুরিতে নাম জড়িয়েছে শাসক দলের নানান নেতার। এবার পুকুরও চুরি হচ্ছে। ঠিক পুকুর না, বলা ভালো পুকুরে চুরি হচ্ছে ব্যাপক হারে। সেই চুরি নিয়ে বেশ উদ্বেগজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। তা রুখতে এবার পদক্ষেপ নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
জানা গিয়েছে, এই পুকুর চুরি নিয়ে গতকাল, বুধবার একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করা হয়েছে। রাজ্যের সমস্ত প্রান্তেই অনেক সরকারি পুকুর রয়েছে। সেই সমস্ত পুকুর সরকারি জমিতে রয়েছে যা সরকারের মালিকানাধীন। সেই সমস্ত সরকারি পুকুরে হচ্ছে দেদার মাছ চাষ আর সেখান থেকে আসছে প্রচুর টাকাও।
সমস্যাটা ঠিক কী হচ্ছে?
সমস্যা হল, এই যে পুকুরে এত এত মাছ চাষ টাকা আসছে, তাতে সরকারের কোনও লাভই হচ্ছে না। কারণ এই সরকারি পুকুরে যারা মাছ চাষ করছেন, তারা সরকারের কোনও অনুমতিই নিচ্ছেন না। সরকারি অনুমতি ছাড়াই পুকুরে মাছের চারা দিচ্ছেন আর সময়মত সেই মাছ তুলে বিক্রি করছেন। আর এর জেরে লাভের কোনও অংশই পাচ্ছে না সরকার।
এই পরিস্থিতি ঠেকাতে পদক্ষেপ নিলেন মুখ্যমন্ত্রী। গতকাল, বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই নিয়ে আলোচনা হয়। মুখ্যমন্ত্রী একটি উচ্চস্তরীয় কমিটি গড়ে দিয়েছেন। সেই কমিটিতে রয়েছেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, বিপ্লব চক্রবর্তী ও মানস ভুঁইয়া। রাজ্যের সমস্ত সরকারি পুকুরে সমীক্ষা করাই হবে তাদের কাজ।
এই সমস্ত পুকুর থেকে রাজ্য কীভাবে লাভ পেতে পারে, তা খতিয়ে দেখবেন তারা। তাদের সেই রিপোর্টের উপর ভিত্তি করেই সরকার আগামী পদক্ষেপ নেবে। কোন কোন পুকুর থেকে কীভাবে রোজগার বাড়ানো যায়, বা মাছ চাষ ছাড়া আর কী করা যায় ওই পুকুরে, তাও ভেবে দেখছে সরকার।






