কালীপুজোর রাতেই জেলে ঢুকলেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়। জেল বাকি হাসপাতাল, এই নিয়ে টানাপড়েনের পর অবশেষে ব্যাঙ্কশাল আদালত জানিয়ে দিল যে প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারেই যেতে হবে বালুকে। সেই নির্দেশ অনুযায়ী, কালীপুজোর রাতেই প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।
অসুস্থ থাকলে জেল হাসপাতালে স্থান হয় বিচারাধীন বন্দির। তবে জ্যোতিপ্রিয়কে জেল হাসপাতালে রাখা হয়নি। প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারের পয়লা বাইশ সেল ওয়ার্ডেই রাখা হয়েছে তাঁকে। এই ওয়ার্ডের নানান সেলে রয়েছেন নিয়োগ দুর্নীতিতে মামলায় অভিযুক্তরা। এই ওয়ার্ডেই রয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত জেলে থাকতে হবে জ্যোতিপ্রিয়কে।
সূত্রের খবর, আদালতে জামিনের আবেদন জানাননি তাঁর আইনজীবী। মন্ত্রীর অসুস্থতার কথা উল্লেখ করে সরকারি হাসপাতালে ভর্তির আর্জি জানানো হয়। তবে সেই আর্জি খারিজ করে দেন বিচারক। আদালত জানায়, কম্যান্ড হাসপাতালের রিপোর্টের ভিত্তিতে জ্যোতিপ্রিয়র হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার প্রয়োজন নেই।
এদিন ব্যাঙ্কশাল আদালত থেকে জ্যোতিপ্রিয়কে সোজা প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। আদালত চত্বরে দাঁড়িয়ে ফের একবার শারীরিক অসুস্থতার কথা জানান মন্ত্রী। তাঁর বাম হাত এবং পা পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করেন জ্যোতিপ্রিয়। মন্ত্রী আরও বলেন, “ইডি থেকে মুক্তি পেলাম। এখন জেলে যাচ্ছি। সব কথা পরে বলব”। ভবিষ্যতে কী কোনও গোপন তথ্য ফাঁস করবেন জ্যোতিপ্রিয়, তা নয়ে এখন জল্পনা তুঙ্গে।





