প্রকাশ্যে এল সুশান্তের পোস্টমর্টেম রিপোর্ট, আত্মহত্যা না খুন?

২০১৫ সালে তিনি নিজে অভিনয় করেছিলেন গোয়েন্দা ব্যোমকেশ বক্সির চরিত্রে। কিন্তু তাঁর নিজের মৃত্যু রহস্য এবার কে ফাঁস করবে? ইতিমধ্যে সুশান্ত সিং রাজপুতের আত্মহত্যা নিয়ে উঠেছে বিভিন্ন প্রশ্ন। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর মৃতদেহের ছবি নিয়ে চলছে অনলাইন পোস্টমর্টেম। সুশান্তর মামা অভিযোগ করেছেন এটা আত্মহত্যা নয়, পরিকল্পনামাফিক খুন। হাজারো জল্পনার মধ্যেই সামনে এসেছে অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট।

গতকাল শেষ রাতে সূত্র মারফত জানা গিয়েছে সুশান্তর পোস্টমর্টেম রিপোর্টে লেখা আছে মৃত্যুর কারণ হল হ্যাঙ্গিং। আত্মহত্যাতেই মৃত্যু হয়েছে তাঁর। শরীরে কোন ড্রাগস বা এ্যালকোহল বা বিষের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। সুশান্তর ঘর থেকে কোনোরকম সন্দেহভাজন জিনিসও পাওয়া যায় নি। সুতরাং এটি আত্মহত্যা ছাড়া আর কিছুই নয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্টেও আত্মহত্যাই উল্লেখ করা হয়েছে। ড.আরএন কুপার মিউনিসিপ্যাল হাসপাতালে সুশান্তের ময়নাতদন্ত হয়েছে।

কিন্তু অনেকেই তাঁর মৃত্যুর মধ্যে রহস্য খুঁজে পাচ্ছেন। ইতিমধ্যেই অন্য সূত্র থেকে জানা গিয়েছে মুম্বইয়ের ক্রাইম ব্রাঞ্চ-এর একটি টিম তার মৃত্যুর তদন্তের দায়িত্ব নিয়েছেন। তদন্তের প্রয়োজনেই তার ফ্ল্যাটের সমস্ত কিছু খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এমনকী সুশান্তের পরিচারিকাকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে সেই সময় সুশান্তর ফ্ল্যাটে পরিচারিকা পরিচারক ছাড়াও তার এক বন্ধু যিনি একজন আর্ট ডিজাইনার তিনি উপস্থিত ছিলেন। সকাল দশটা নাগাদ সুশান্ত একলাছ ফলের রস নিয়ে নিজের ঘরে চলে যান এবং বলেন আমি আর একটু ঘুমাবো আমাকে ডিস্টার্ব করবে না। তারপর অনেকক্ষণ কেটে যায়, সুশান্তের কোন সাড়া মেলেনি। তখন দরজা ধাক্কানো হয় কিন্তু দরজা ভেতর থেকে কেউ খোলেনি সুশান্তের ফোনে ফোন করা হলে ফোন বেজে যায় কেউ ধরে নি। এরপর সুশান্তের দিদি নীতুকে ফোন করলে তিনি দরজার লক ভাঙ্গার কথা বলেন। সেটা করতেই দেখা যায় নিজের ঘরের সিলিং ফ্যান থেকে নিজের কুর্তি দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে ঝুলছেন সুশান্ত।

গত ছয় মাস ধরে মুম্বাইয়ের এক বেসরকারি হাসপাতালে মানসিক অবসাদের চিকিৎসা চলছিল তাঁর। কোন চরম কষ্টে সদাহাস্যময় এই মানুষটা এত বড় একটা সিদ্ধান্ত নিলেন সেটাই এখন জানার চেষ্টা করা হচ্ছে।

আরও অন্যান্য খবর