মা হলেন বলিউড অভিনেত্রী দিয়া মির্জা। আজ, বুধবার সেই খবর প্রকাশ্যে আনলেন অভিনেত্রী। তবে আজ নয়, গত ১৪ই মে পুত্র সন্তানের জন্ম দিয়েছেন দিয়া। কিন্তু কিছু সমস্যা থাকার কারণে সেই সুখবর সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিতে পারেননি অভিনেত্রী।
সন্তানের হাত স্পর্শ করে রয়েছে তাঁর আঙুল, এমন একটি ছবি দিয়েই এই খবর দেন দিয়া। সন্তানের নাম রাখলেন আভ্যান আজাদ রেখি। তবে দিয়া জানিয়েছেন যে তাঁর সন্তান জন্মের পর থেকেই আইসিইউ-তে রয়েছে। আভ্যান প্রি-ম্যাচিওর বেবি। ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের কারণে জীবন বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা ছিল। তবে ঠিক সময়ে সি-সেকশন মধ্যে দিয়েই সন্তানের জন্ম দেন দিয়া।
এলিজাবেথ স্টোনের একটি লেখা শেয়ার করে দিয়া জানান “আমাদের পুত্র সন্তান আভ্যান আজাদ রেখির জন্ম হয়েছে ১৪মে। সময়ের আগে জন্ম হয়েছে ওর। এতদিন চিকিৎসক, নার্সদের তত্ত্বাবধানে আইসিইউতে ছিল”।
দিয়ার কথায়, “আভ্যান খুব তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরছে। ওর দিদি সামাইরা এবং দাদু, ঠাকুমা ওকে কোলে নেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে”। দিয় এও বলেছেন যে এমন একটা খবর আগে জানানো সম্ভব হলে তাঁরা নিশ্চয়ই জানাতেন। কিন্তু পরিস্থিতি সেরকম ছিল না। সম্ভব ছিল না বলেই এতদিন পরে জানাতে বলে জানান অভিনেত্রী।
তবে আপাতত কঠিন সময় কাটিয়ে উঠেছেন তারা। সমস্ত অনুরাগীদের শুভেচ্ছা পাঠানোর জন্য ধন্যবাদ দিয়েছেন তিনি। বাবা, মা হিসেবে বৈভব-দিয়া নতুন ভাবে পথ চলতে শুরু করেছেন। সেই পথে সকলের আশীর্বাদ প্রয়োজন। সকলের থেকে আরও আশীর্বাদ ও ভালোবাসা প্রার্থনা করেছেন অভিনেত্রী।
View this post on Instagram
চলত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসেই দ্বিতীয়বার বিয়ে করেন দিয়া। ব্যে হয় বৈভব রেখির সঙ্গে। এরপর স্বামী ও বৈভবের প্রথম পক্ষের মেয়েকে নিয়ে মালদ্বীপ ঘুরতে যান। সেখানে ফ্লোরাল গাউন পরে বেবি বাম্পের ছবি পোস্ট করে দিয়া সেই সময় লিখেছিলেন, “আমি আশীর্বাদধন্য। সব গল্পের শুরু যেখান থেকে হয় সেই শক্তির সঙ্গে নিজেকে জুড়ে আমি গর্বিত। ঘুমপাড়ানি গান, নতুন চারাগাছ, আর একরাশ আশা। আমার গর্ভে এই সব নতুন স্বপ্নের উদ্বোধন করতে পেরে আমি ধন্য”।
সাহিল সঙ্ঘর সঙ্গে ১১ বছরের দাম্পত্য জীবন ভেঙে আয় দিয়ার। এরপর বৈভবের সঙ্গে চার বছর প্রেম করার পর নতুন করে জীবন শুরু করেছেন দিয়া। সদ্যই মা হয়েছেন, তাই এখন তাঁর দায়িত্ব অনেক বেশি। আপাতত তাঁর প্রথম দায়িত্ব হল সন্তানকে ভালোভাবে বড় করা। ছেলে একটু বড় বলে ফের কাজে ফেরার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী।





