বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো। তা আসতে আর মাস তিনেক দেরি। তবে এরই মধ্যে আশঙ্কা বাড়াচ্ছে করোনার তৃতীয় ঢেউ। এই কারণে আগেভাগেই সুরক্ষার প্রস্তুতি নিল ফোরাম অফ দুর্গোৎসব।
ফোরামের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে এ বছরও দুর্গাপুজো হবে, তবে সমস্ত বিধিনিষেধ মেনেই। এর জন্যই আগে থেকেই ১৪ দফার গাইডলাইন প্রকাশ করা হয়েছে ফোরামের তরফে। এবারে টিকাকরণের উপর বেশি করে জোর দেওয়া হয়েছে। পুজো কমিটিগুলোর তরফে এই সম্ভাব্য নিয়ম প্রস্তাব পাঠানোর কথা রাজ্য সরকারকে। সেখানে মনোনীত হলেই পুজোর প্রস্তুতি শুরু হয়ে যাবে।
গত বছর ছিল করোনার প্রথম পর্যায়। সেবার আদৌ পুজো হবে কী না, এ নিয়ে ধন্দ ছিল সকলের মনে। তবে শেষ পর্যন্ত রাজ্য সরকারের নানান বিধিনিষেধ মেনেই হয় পুজো। এ বছরের বাড়তি সুরক্ষা হিসেবে রয়েছে টিকা।
আরও পড়ুন- দক্ষিণ আফ্রিকাতে আতঙ্কিত হিন্দুরা, চলছে অকথ্য নির্যাতন, ভাঙা হচ্ছে একের পর এক মন্দির
এই কারণে এই টিকাকরণকে পাখির চোখ করেই এবার এগোতে তৎপর ফোরাম। এই কারণে কলকাতার ছোটো-বড় মিলিয়ে মোট ৪৫০ টি পুজো কমিটিকে এক ছাতের তলা আনা হয়েছে। ফোরামের এই দেওয়া গাইডলাইন মেনে চলতে হবে সমস্ত পুজো কমিটিগুলোকে।
কী কী গাইডলাইন দেওয়া হয়েছে?
- পুজোর সঙ্গে যুক্ত সকলকে, পুরোহিত হোক বা ঢাকি, প্রত্যেকের টিকাকরণ হওয়া বাধ্যতামূলক।
- মাস্ক, স্যানিটাইজার ছাড়াও সামাজিক দুরত্ববিধির নিয়ম মেনে চলতে হবে।
- পুজোয় বেশি চাকচিক্য নয়। এই অর্থ কোনও জনহিতকর কাজে ব্যবহার করতে হবে।
- গত বছরের মতো এই বছরেও মণ্ডপ খোলামেলা করতে হবে যাতে বাইরে থেকেই প্রতিমা দর্শন করা যায়।
- পুজোর নৈবেদ্য থেকে শুরু করে বিসর্জন, সবক্ষেত্রে মানতে হবে কোভিড বিধি।
- কাটা ফল দেওয়া যাবে না। গোটা ফলেই সাজাতে হবে নৈবেদ্য।
- সন্ধিপুজো থেকে সিঁদুর খেলা, সব ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ববিধি বজায় রাখতে হবে।
- প্রশাসনের সঙ্গে হাত মিলিয়ে তৎপর হতে হবে স্বেচ্ছাসেবকদেরও।
- মণ্ডপে যাতে কোনওভাবেই ভিড় না জমতে পারেন, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।





