পুজোর সময় কথা ছিল শহর ছেড়ে দূরে কোথাও ঘুরতে যাওয়ার, সেই মতোই প্লেনের টিকিট কাটাও হয়েছিল। কিন্তু যাওয়া হল না, টিকিট নষ্ট। পুজোর সময়ও একদিনও নিজের মনের মানুষটাকে কাছে পান অভিনেত্রী শ্রীমা ভট্টাচার্য। অগত্যা তাই সপ্তমীতে মায়ের সঙ্গে ও নবমীতে নিজের ধারাবাহিক ‘বেদের মেয়ে জ্যোৎস্না’-এর সহ-অভিনেতাদের সঙ্গে কাটান তিনি।
এমনিতে সোশ্যাল মিডিয়াতে অভিনেতা গৌরব রায়চৌধুরি বেশ সক্রিয়, কিন্তু তাদের মধ্যে কী এমন হল যে দূরত্ব এতো বেড়ে গেল। দুজনের একসঙ্গে কোনও পোস্টই আজকাল আর দেখা যাচ্ছে না। তবে কী তাদের বিরহপর্ব চলছে নাকি এটাই বিচ্ছেদের শুরু, এমন প্রশ্নই ঘোরাফেরা করছে দর্শক মহলে।
অভিনেত্রী মারফত জানা গেল যে পুজোর আগে গৌরব তাকে জানিয়েছিলেন যে মা, শ্রীমা আর তিনি, এই-ই তার পুজো, এই-ই তার সংসার। পুজোতে মায়ের সঙ্গে শ্রীমাকেও উপহারদিয়ে চমকে দেবেন গৌরব, এমন কথাই দিয়েছিলেন। কিন্তু গৌরব কথা রাখেন নি। শ্রীমা দুঃখ প্রকাশ করে বললেন “ফোন করলে কিছুতেই ফোন ধরছে না। পুজোর আগে থেকেই যেন দূরে দূরে আমার থেকে। কিছু প্রশ্ন রেখেছিলাম, উত্তর মেলেনি। আমার বাবাকে বলেছে শ্রীমা এখনও বড্ড ছোটো, অনেক কিছু বোঝেনা। চিন্তা করার কিছু নেই, সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু আমি ফোন করলেই সে নেই”।
শ্রীমার কথায়, শুধু মা-বাবা বা অনুরাগীদের নয়, তাকে এই নিয়ে তার আত্মীয়স্বজনদের কাছেও কৈফিয়ত দিতে হচ্ছে। কারণ বেশ কিছুদিন ধরেই তারা ‘হ্যাপেনিং কাপল”। এই বিষয়ে জানতে গৌরবের সঙ্গে চেয়েও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। এদিকে শ্রীমার মতোই গৌরবও যে বেশ ব্যাথাতেই রয়েছেন, তা তার পোস্ট থেকে স্পষ্ট। একটি পোস্টে তিনি লেখেন, “প্রবাসী রোজ আসবে যাবে, সবাই তারা যাযাবর।। খুঁজে খুঁজে তারা প্রেম খোঁজে। তাদেরকেও বানায় স্বার্থপর”।
তবে এত কিছুর পরেও আশায় রাখছেন শ্রীমা। সম্প্রতি একটি সাদাকালো ছবি পোস্ট করে তিনি ক্যাপশনে লেখেন, “আজ চিঠি লেখাটা ওল্ড ফ্যাশন তোমার কাছে! তাই আর উত্তরের আশা রাখি না। ভালো থেকো। আর ফেরার ঠিকানা?? সে তো তোমার জানা” ভবিষ্যতে তাদের সম্পর্কের সমীকরণ কতদুর এগোয়, এখন সেটাই দেখার।





