দিওয়ালির দিন অনিল কাপুরের ছেলে হর্ষবর্ধন কাপুরের একটি পোস্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ ভাইরাল হল। এই পোস্টে হর্ষবর্ধন লিখেছেন যে বাজি ফাটানোর ফলে এটাই প্রমাণ হয় যে মানুষের কমনসেন্স নেই। এরপরই নেটিজেনদের রোষের মুখে পড়তে হয় অনিল-পুত্রকে। এরই সঙ্গে তাঁর এই পোস্টের কমেন্ট সেকশনে পোস্ট করা হয় অনিল কাপুরের একটি বাজি ফাটানোর ছবিও।
টুইটারে হর্ষবর্ধন লেখেন, “মানুষ সেই সব জায়গায় বাজি ফাটাচ্ছে। আমার পোষ্যরা ভয় পাচ্ছে। বাড়িতে সবার খুব সমস্যা হচ্ছে। আর সঙ্গে এটা পরিবেশের জন্যও খুব ক্ষতিকর। এই জন্য মাঝে মাঝে কমনসেন্স কাজে লাগাতে হয়”।

তাঁর এই টুইটের উত্তরে কিছু মানুষ আবার কাপুর পরিবারের একটি ছবি শেয়ার করেছেন যেখানে অনিল কাপুরকে বাজি ফাটাতে দেখা যাচ্ছে। আর পাশে দাঁড়িয়ে রয়েছেন সোনম কাপুর ও হর্ষবর্ধন নিজেও।
তবে এই ছবি নিয়ে পাল্টা উত্তরও দেন অনিল পুত্র। তাঁর কথায়, “এটা অনেক আগের। মানুষ তো সময়ের সাথে শেখে আর নিজেকে আরও ভালো করার চেষ্টা করে। অন্তত আমাদের মধ্যে কিছু মানুষ”।

২০১৬ সালের দিওয়ালির ছবি এটি। এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে অনিল কাপুর কালীপটকার গোটা রিল ফাটানোর তোড়জোড় করছেন। সেই ছবিটিই হয়েছে ভাইরাল। তবে বাজি না ফাটানো নিয়ে হর্ষবর্ধনের এই টুইট পছন্দ করেনি নেটিজেনরা।
এই বিষয়ে এক টুইটার ব্যবহারকারী লিখেছেন, “২০১৬ সালে তুমি কত ছোট ছিলে”? আবার অন্য একজনের মন্তব্য, “তুমি কি ডার্মাটলজিস্ট? যে এত কিছু জানো”। কেউ কেউ তো আবার এর সঙ্গে রাজনীতির রঙও খুঁজে পেয়েছেন।
এর উত্তরে হর্ষবর্ধন লেখেন, “আমার টুইটে রাজনীতির কোনও ছাপ ছিল না। এটা খুব খারাপ যে কেউ নিজের মতামতও জানাতে পারবে না এখন চাঞ্চল্য না ছড়িয়ে”। এরপর হর্ষবর্ধন নিজের সব টুইটই সোশ্যাল মিডিয়া থেকে মুছে ফেলেন।

এর আগে সোনম কাপুরের দিদি রিয়া কাপুরও বাজি না ফাটানোর আবেদন জানিয়েছিলেন। নেটফ্লিক্সের অ্যান্থোলজি ‘রে’-তে শেষ দেখা গিয়েছে হর্ষবর্ধনকে। তাঁকে এরপর দেখা যাবে নীরজ চোপড়ার বায়োপিকে।





