ট্রেন স্টেশন এলেই সব থেকে বেশি শোনা যায় ট্রেনের হর্নের আওয়াজ। ট্রেন চলতে শুরু করলে বিভিন্ন রকম হর্নের আওয়াজ শোনা যায়। প্রতিটি হর্নের আলাদা আলাদা অর্থ আছে।যাত্রীদের সাবধান করার জন্য এই হর্ন বাজানো হয়। ভ্রমণ করার সময় এই হর্নের মাধ্যমে ট্রেনের পরিস্থিতি জানা যায়।
ট্রেনে উঠলেই যেটা সব থেকে বেশি শোনা যায়, সেটা হলো ট্রেনের হর্নের আওয়াজ। ভারতীয় রেল ট্রেন চালানো সময়ে ১১রকম হর্ন বাজায়। প্রতিটি হর্নের আলাদা আলাদা বিশেষত্ব আছে।বিভিন্ন রকম সংকেত প্রদর্শনের জন্য এই হর্ন বাজানো হয়।
একটি শর্ট হর্ন : এই হর্ন খুব অল্প সময়ের জন্যই চালক বাজিয়ে থাকেন। পরবর্তী গন্তব্যে যাওয়ার আগে ট্রেন পরিষ্কারের জন্য ট্রেন ইয়ার্ডে প্রবেশের আগে এই হর্ন বাজানো হয়।
দুটি শর্ট হর্ন : খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে দুইবার এই হর্ন বাজানো হয়। ট্রেন স্টেশন থেকে ছাড়ার সময় লোকো পাইলট গার্ডের কাছ থেকে সিগনালের জন্য এই হর্ন বাজানো হয়।
তিনটি শর্ট হর্ন : মূলত বিপদ সংকেত বোঝানোর জন্য এই হর্ন বাজানো হয়।গার্ড বুঝতে পারেন যে চালক ট্রেনটিকে থামাতে পারছেন না। সেই মুহূর্তে ভ্যাকুয়াম ব্রেকে জন্য এটি বাজানো হয়।
চারটি শর্ট হর্ন : ট্রেনের মধ্যে যদি কোনো যান্ত্রিক ত্রুটি পরিলক্ষিত হয় সেক্ষেত্রে বিপদ সংকেত বোঝানোর জন্য এই হর্ন বাজানো হয়।
ওয়ান লং , ওয়ান শর্ট হর্ন : ট্রেন চালু হওয়ার পূর্বে একবার লম্বা হর্ন বাজানোর পর একটি ছোট হর্ন বাজানো হয়।
টু লং টু শর্ট হর্ন : ট্রেনের চালক গার্ডকে ইঞ্জিন নিয়ন্ত্রণের জন্য এই হর্ন বাজান।
টানা হর্ন : দ্রুতগামী ট্রেন এবং গ্যালোপিং লোকাল বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই হর্ন বাজিয়ে যায়।
থেমে থেমে দুই বার হর্ন : যখন ট্রেন কোনো লেভেল ক্রসিং ওপর দিয়ে সফর করে তখন এই হর্ন বাজানো হয়।
দুটি লং একটি শর্ট হর্ন : লোকো পাইলট যখন ট্রেনের লাইন বদল করেন সেই মুহূর্তে এই হর্ন বাজান।
দুটি শর্ট ও একটি লং হর্ন : যখন কোনো যাত্রী চেন টেনে ট্রেন থামানোর চেষ্টা করেন তখনি ট্রেন এই হর্ন বাজানো হয়। এছাড়া যখন গার্ড ভ্যাকুয়াম ব্রেক ব্যবহার করে থাকেন তখন এই হর্ন বাজে ।
ছটি শর্ট হর্ন : ট্রেন যখন কোনো বড়ো বিপদের সম্মুখীন হয় তখন লোকো পাইলট পরপর ছয়টি হর্ন বাজান। ট্রেনের যাত্রীদের ও গার্ডকে সচেতন করার জন্যই এই হর্ন বাজানো হয়।





