MithiJhora Today Full Episode 11 September: জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক মিঠিঝোরা (Mithijhora)। এই ধারাবাহিকে দেখা যায় রাই হাসপাতালে ভর্তি আর রাইয়ের সাথে দেখা করার জন্য ছটফট করছে অনির্বাণ কিন্তু অনির্বাণকে কেউ হাসপাতালের ভিতরে ঢুকতে দিচ্ছে না। স্রোত একদম বলে দিয়েছে যে, রাই সম্পর্কে কোনও খবর যেন সে না পায়। অনির্বাণ শৌর্য্যকেও ক্ষমা চায় কিন্তু শৌর্য্য ও অনির্বাণকে বলে দেয় যে তার মানসিক চিকিৎসার প্রয়োজন আছে।
মিঠিঝোরা ১১ সেপ্টেম্বর আজকের পুরো পর্ব/ MithiJhora Today Full Episode 11 September
এই ধারাবাহিকের শুরুতেই আজকে দেখা যায়, রাইয়ের কেবিনে চলে আসে স্রোত , কিন্তু তার দিদিভাইকে এইভাবে দেখে সে প্রচণ্ড ভেঙে পড়েছে কান্নাকাটি শুরু করেছে। তখন সার্থক তাকে বোঝাতে থাকে এইভাবে ভেঙে পড়লে হবে না, একজন ডাক্তার হিসেবে তাকে শক্ত হতে হবে, জানতে হবে এই পরিস্থিতিতে কী করা উচিত। তোমার যেমন মেধা আছে তেমনি তোমার সাহসটাও থাকা দরকার, হয়ত তোমার দিদিভাই বলেই তুমি এভাবে ভেঙে পড়ছো! কিন্তু তুমি ভেঙে পড়লে ত সব শেষ হয়ে যাবে।
স্রোত বলে, আমি সবটাই বুঝতে পারছি কিন্তু দিদিভাইকে দেখলেই আমি ভেঙে পড়ছি। কারণ ছোট থেকে আমি দিদিভাইয়ের এই লড়াইটা দেখেছি, তাই দিদিকে এই অবস্থায় কিছুতেই মানতে পারছি না। শুধু ভাবছি কবে দিদি ঠিক হয়ে যাবে আর বাড়ি ফিরে যাবে। সার্থক বলে, সেই দিনটা আর বেশি দেরি নেই, খুব শীঘ্রই সেই দিনটা আসতে চলেছে কিন্তু তার আগে তুমি একটু শান্ত হও। এরপর স্রোত বলে, সে যখন সকালে কলেজ যাবে তখন তার মা বা বৌদি দিদিভাইয়ের কাছে থাকবে আর সে রাতের দিকে ফিরলে আবার হাসপাতালে চলে আসবে।
অন্যদিকে অনির্বাণ হাসপাতালে গিয়ে বলতে থাকে, আপনাদের ব্যাপার আমি কিছুই বুঝতে পারছি না আমাকে আমার স্ত্রীর সাথে আপনারা কেন দেখা করতে দিচ্ছেন না? তখন রিসেপশনিস্ট বলে, দেখুন স্যার আপনাদের অনেক বিধি নিষেধ আছে, বিশেষত আপনাকে দেখা করতে দেওয়া এবং খবর দেওয়া বারণ আছে। রোগীর বাড়ির লোক আপনাকে খবর দিতে মানা করেছেন। অনির্বাণ তখন বলে আমার স্ত্রী সম্পর্কে আমি জানতে পারবো না এটা কী করে হয়?
সিস্টার তখন বলে, আপনি একটু শান্ত হন, আমি ভেতরে গিয়ে জিজ্ঞেস করি আপনাকে তারা ভেতরে ঢুকতে দেবেন কিনা তারপর আপনি যাবেন। অন্যদিকে স্রোত তার দিদিভাইকে বলে যে কেন সে মাঝপথে লড়াই ছেড়ে দিয়েছিল? সে কি সবাইকে ছেড়ে চলে যেতে চাইছিল? এরপর স্রোত বলে, দিদিভাই তুই আমার শক্তি, তুই যদি এইভাবে চলে যেতিস তাহলে আমার কি হত? তোকে আমি অনেক ভালবাসি! এর মধ্যেই নার্স এসে স্রোতকে বলে, অনির্বাণ দেখা করতে চেয়েছে।
স্রোত মানা করে দিলে নার্স বলে, স্বামী স্ত্রীর মধ্যে এমন অনেক ঘটনা হয় তাই সে রাইকে জিজ্ঞেস করতে চাই। কিন্তু রাই ও সরাসরি দেখা করতে মানা করে দেয়। এমনকি রাই বলে, ওনাকে এখান থেকে চলে যেতে বলুন। নার্স তখন বাইরে এসে সেই কথাটা বলে। এর মধ্যে ডাক্তারবাবু বলে, রাই আগের থেকে অনেক ভালো আছে কিন্তু ওর শরীরের অবস্থা যখন ঐরকম ছিল আপনি কোথায় ছিলেন? তখন অনির্বাণ চুপ হয়ে যায়। ওদিকে রাই বাড়ি ফিরে যেতে চাই আর হাসপাতালে নীলু আসে রাইয়ের সাথে দেখা করতে। কিন্তু দেখা করার সময় ফুরিয়ে যাওয়ায় আর নীলুর সাথে দেখা হয় না রাইয়ের। তবে স্রোত নীলুকেও রাইয়ের সাথে দেখা করতে দিতে চায় না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেয়।





