জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক মিঠিঝোরা (MithiJhora)। এই ধারাবাহিকে দেখা যায়, রাইয়ের মুখের কথা ফেলতে না পেরে নীলুর সাথে আবার সম্পর্ক ঠিক করে তোলার চেষ্টা করছে শৌর্য্য! যদিও সে মন থেকে বিশ্বাস করে না নীলুকে। এদিকে রাইয়ের অপারেশনের পর আড়াই মাস কেটে যাওয়ায় আবার কোম্পানিতে যোগ দিল সে। অনির্বাণ আড়াল থেকেই নজর রাখছে রাইয়ের উপর, সামনেখানে এসে সে আর রাইকে বিব্রত করছে না।
মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ২০ সেপ্টেম্বর/ MithiJhora Today Full Episode 20 September
আজকের পর্বের শুরুতেই দেখা যাবে, অনির্বাণের অফিসের একজন স্টাফ বলে, স্যার একটা কোম্পানি থেকে আপনাকে তাদের বার্ষিক অনুষ্ঠানে আপনাকে প্রধান অতিথি হিসেবে যাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ পত্র পাঠিয়ে চিঠি পাঠিয়েছে। অনির্বাণ তখন বলে আমার এখন কোনও অনুষ্ঠানে যাওয়ার মত মনের অবস্থা নেই, আপনি বরং চিঠি লিখে দিন, যে আপনাদের আমন্ত্রণপত্র পেয়ে আমি খুব খুশি হয়েছি কিন্তু আমার পক্ষে যাওয়া সম্ভব নয়। তখন অনির্বাণের অফিসের সেই স্টাফ বলে আর একবার ভেবে দেখলে হত না স্যার কোম্পানিটা কিন্তু খুব ভাল!
এরপর অনির্বাণ জিজ্ঞেস করে কোম্পানিটার কী যেন নাম বললেন? ঐ স্টাফ তখন বলে এস এস পাবলিকেশন। এটা শুনে অনির্বাণ ভাবে এখানে তো রাই কাজ করে, তখন অনির্বাণ যেতে রাজি হয়ে যায় অন্যদিকে রাই তো খুব খুশি তাকে পুরস্কৃত করা হবে জেনে। সে এই খুশির খবরটা স্রোতকে ফোন করে জানায়। এরপর স্রোত সার্থক স্যারের বাবার সাথে দেখা করতে যাবে শুনে স্রোতের সাথে একটু মজা করে রাই। রাইকে স্রোত বলে, দিদিভাই আমি তোকেও নিয়ে যাব। রাই তখন বলে, আমি তো যাবই তোর বিয়ের পাকা কথা বলতে।
ওদিকে নীলু শোর্য্যকে বলে, দিদিভাইকে তার অফিস থেকে পুরস্কার দেওয়া হবে, চলো না, আমরা যাই। তখন শৌর্য্য বলে, আমি যাব না, তুমি যাও। তুমি তো এই ধরনের অনুষ্ঠানে যাওনি, তুমি গেলে তোমার ভালো লাগবে। এটা শুনে নীলু মনে মনে সন্দেহ করে বলে, আমি জানি তুমি ঠিকই যাবে, আমাকে বলছ না কিন্তু তুমি ঠিকই যাবে। শৌর্য্য নীলুকে বলে, তুমি যাই করো, আমি তোমাকে আর বিশ্বাস করি না। নীলু বলে, দেখো আমার ভুল হয়ে গেছে, একবার আমাকে বিশ্বাস করে দেখো।
ওদিকে রাই এসে বৌদিকে নিজের পুরস্কার পাওয়ার কথা বললে বৌদি বলেনি তুমি অনির্বাণকে নিয়ে কী ভাবছ? অনেকদিন তো হয়ে গেল! বৌদিকে তখন রাই বলে, দেখো আমার যে অনির্বাণের কথা মনে পড়ে না এমনটা কিন্তু নয়। কিন্তু ও যে ধরনের সন্দেহবাতিক, তাতে আমার ভয় করে মনে হয় আবার যদি নতুন করে সব শুরু করি, আবার হয়ত আমাদের সংসারে অন্য কোনও কারণ নিয়ে অশান্তি শুরু হবে। রাইয়ের মুখে এই কথা শুনে বৌদিভাই বুঝতে পারে, রাই অনির সম্পর্কের বরফ বলতে শুরু করেছে।
ওদিকে সার্থক স্যারের বাবা উজ্জ্বল বাবু সার্থক ও স্রোতের সম্পর্ক ভালো করবার জন্য তার সেই বন্ধুর ছেলের কথা বলে। তিনি বলেন, রাইয়ের সঙ্গে কথা বলবেন স্রোতের বিয়ের বিষয় নিয়ে। এটা শুনে সার্থক রেগে যায় আর স্রোত কথা ঘোরাতে চেষ্টা করে। ওদিকে অনির্বাণও ভাবতে থাকে খুব তাড়াতাড়ি যেন তাদের সম্পর্ক ঠিক হয়ে যায়! এটা তো নিশ্চিত অনির্বাণের হাত থেকেই পুরস্কার পেতে চলেছে রাই! তবে কী আবার নতুন দিকে মোড় নেবে রাই-অনির সম্পর্ক?





