মুখ ঢাকা গামোসা মাস্কে, নেটপাড়ায় ফ্যাশনিস্তার তকমা পেলেন পাওলি

করোনা পরিস্থিতিতে মাস্ক আমাদের এখন নিত্যসঙ্গী। প্রথমদিকে বিভিন্ন সার্জিক্যাল মাস্ক এবং n95 মাস্ক ব্যবহার করলেও ধীরে ধীরে মানুষ বুঝতে পেরেছে মাস্ক এখন আমাদের জীবনের অপরিহার্য অঙ্গ সেজন্য আস্তে আস্তে মাস্কেও ফুটে উঠেছে নান্দনিকতার ছোঁয়া। বিভিন্ন ধরনের, বিভিন্ন কাপড়ের এবং ডিজাইনের মাস্ক এখন বাজারে পাওয়া যায়। অনেকেই পোশাকের সঙ্গে ম্যাচিং করে মাস্ক পরেন। সেলিব্রিটিরাও রংবাহারি রকমারি মাস্ক পড়তে পিছিয়ে পড়ছেন না। এবার অভিনব গামোসা মাস্ক পরে ইনস্টাগ্রামে ফটো পোস্ট করলেন অভিনেত্রী পাওলি দাম। লাল-সাদা রংয়ের ঐতিহ্যপূর্ণ অসমীয়া গামোসা দিয়ে তৈরি মাস্ক এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন ঝড় তুলেছে।

 

View this post on Instagram

 

At a time when the mask is an absolute necessity, I couldn’t have been happier to receive a pure Assamese Gamosa Mask as gift from @julie_deb1 . Julie, I have always known you as an ardent lover of indigenous textile, craft and fabric. And I deeply appreciate your efforts to bring North-Eastern India’s culture to the forefront. I am so glad that you thought of the Gamosa mask and sent it all the way to me. This super, super soft and most importantly, breathable fabric feels like a saviour… Breathing doesn’t seem like a task anymore, phew!!! On top of that, how stunning does it look! Absolutely made my Lokkhi Pujo ensemble so much prettier 🙂 Makes me wonder how blessed are we to have been born in a country that is marvellously rich in diversity…. There’s an indigenous (& wonderful) solution for every problem. Thank you, Julie ❤️ Kudos to you! Thank you for my gamosa mask & special thanks for the cute little botua to go with the mask. 🙂

A post shared by Paoli Dam (@paoli_dam) on

পুজোর পরেই মুখে মাস্ক পরে বরের সঙ্গে ছবি পোস্ট করেছেন পাওলি। ছবি দেখেই বোঝা যাচ্ছে অভিনেত্রী খুবই পছন্দ হয়েছে এই নতুন মাস্কটি।তিনি নিজেই জানিয়েছেন যে এই মাস্ক পরে সারা দিন কাটানো যায়। অনুরাগীদের প্রশ্নে জানিয়েছেন যে, তার জন্য এই মাস্ক স্পেশালভাবে ডিজাইন করে দিয়েছেন তার ডিজাইনার বন্ধু জুলি দেব। নতুন এই মাস্কের ডিজাইন দেখে নেট পাড়ায় পড়ে গিয়েছে হইচই। এখন প্রায় সকলেই খোঁজ করছেন কোথায় পাওয়া যাবে পাওলির এই গামোসা মাস্ক।

সাধারণত শ্বাস নিতে কষ্ট হয় বলে অনেকেই দীর্ঘক্ষণ সিন্থেটিক মাস্ক পরে থাকতে পারেন না। আসামের গামছা দিয়ে তৈরি এই মাস্ক মানুষকে অনেকটাই স্বস্তি দেবে। বলে জানা যাচ্ছে। ‌গামছা নিয়ে ফ্যাশন ইন্ড্রাস্ট্রিতে প্রথম কাজ শুরু করেন বাংলাদেশের ডিজাইনার বিবি রাসেল।তিনি বাংলাদেশি গামছা দিয়ে ড্রেস, ব্যাগ, শাড়ি এমনকি ঘর সাজানোর উপকরণ পর্যন্ত ডিজাইন করে ফেলেছিলেন। সারা বিশ্বেই নিয়ে তোলপাড় পড়েছিল এবং ধীরে ধীরে গামছা ফ্যাশন ট্রেন্ডে উঠে আসে। এখন অনেকেই গামছা প্রিন্টের ড্রেস পরেন, ব্যাগ কেনেন, জুয়েলারি ব্যবহার করেন।

তবে আসামিজ গামছা দিয়ে যে ফেসমাস্ক তৈরি করা যায় এই কথা মাথাতে কারোর এখনো পর্যন্ত আসেনি। তবে পাওলির পরা এই তিন ধাপের মাস্ক দেখে অনেকেই উদ্বুদ্ধ হয়ে পড়েছেন এবং আশা করা যাচ্ছে আর কিছুদিনের মধ্যেই হয়তো বাজারে চলে আসবে আসামিজ গামছা দিয়ে তৈরি এই মাস্ক।

পাওলি নিজেই লেখেন, “আমি খুব ভাগ্যবান যে এমন ঐতিহ্যশালী এক দেশে আমি জন্মেছি। দেশের প্রতিটা রাজ্যের সংস্কৃতি আমাকে মুগ্ধ করে। এটা ভেবে আনন্দ হয় আমাদের দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় জিনিসেও আমরা একটা অভিনব সমাধান পেয়ে যাই।”

তাই হয়তো কিছুদিন পরেই দেখতে পারবেন আপনার বন্ধুটি হয়তো পরে ফেলেছেন আসামিজ গামছা দিয়ে তৈরি এই মাস্ক। আপনিই বা পিছিয়ে থাকবেন কেন? খোঁজ নিন এবং নিজের ইচ্ছামত ডিজাইন দিয়ে বানিয়ে ফেলুন এই অভিনব এবং আরামদায়ক মাস্কটি।

RELATED Articles