‘স্বাবলম্বী হওয়ার পরও কেন এই পরিমাণ টাকা খোরপোশ’, ট্রোলের মুখে পড়ে মোক্ষম জবাব কাঞ্চনের প্রাক্তন স্ত্রী পিঙ্কির

হাজারো বিতর্ক ট্রোলিং এর মাঝে চুটিয়ে সংসার করছেন কাঞ্চন-শ্রীময়ী (Kanchan Mallick) বিবাহিত জীবন উপভোগ করছেন কাঞ্চন মল্লিক আর শ্রীময়ী চট্টোরাজ। সমস্ত কটাক্ষকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করছেন তারা। দেড় বছরের আইনি লড়াইয়ের পর ১০ জানুয়ারি ডিভোর্স ফাইনাল হয় পিঙ্কি আর কাঞ্চনের। ৫৬ লাখ টাকা ও দশ বছরের ছেলে ওশকে দেন তৃণমূলের বিধায়ক । পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ডিভোর্সের মামলা শেষ হতেই শ্রীময়ী চট্টরাজের সঙ্গে রেজিস্ট্রি সারেন কাঞ্চন মল্লিক (Kanchan Mallick)।

কাঞ্চন-শ্রীময়ীর বিয়ের পর পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায় এক সাক্ষাৎকারে মুখ খুলেছিলেন। সেখানেই তিনি তাঁর বাবার বিয়ের প্রসঙ্গে ছেলে ওশের প্রতিক্রিয়ার কথা জানান। কাঞ্চন যখন বিবাহ বিচ্ছেদের নোটিশ পাঠিয়েছিলেন তখন ওশ কী বলেছিল সেই কথাই সাক্ষাৎকারে পিঙ্কি বলেন, “ইনফেকশন হলে কেটে বাদ দিতে হয়। আর আমি এটা ভেবে বললাম। আমি আর তুমি একটা টিম। আমরা ভালো থাকব”। পিঙ্কি আরও জানান, “আমার ছেলে খালি চেয়েছিল ওর কাস্টডি যেন আমি পাই। যাই হোক উনি (কাঞ্চন মল্লিক) সেটা দাবিও করেননি। তাই আমি ওঁর কাছে কৃতজ্ঞ। আমরা ভালো আছি”।

তৃণমূল বিধায়কের থেকে টাকা নেওয়ার প্রসঙ্গে অনেকেই পিঙ্কিকে প্রশ্ন করেছেন, “আপনি তো স্বাবলম্বী তাও কেন এত টাকা নিতে হল?” সম্প্রতি এর উত্তর দিয়েছেন পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন, “প্রথম থেকেই টাকার অঙ্কটা আমি লুকোইনি। কেউ কেউ বলছিলেন আমি নাকি কোটি টাকা পেয়েছি, তাই আমার মনে হয়েছে মিডিয়ার বন্ধুদের কাছে সবটা তুলে ধরা দরকার। আর নেব নাই বা কেন? বিয়ে তো একটা কনট্র্যাক্ট। সেটা কেউ ভাঙলে ক্ষতিপূরণ দেওয়া তো আইনেই বলা আছে। আমি তো আইনের বিরুদ্ধে গিয়ে কিছু করিনি। ছেলের কাস্টডি বাবা চাননি, ও আমার কাছেই আছে, থাকবে”।

তিনি আরও বলেন, “এই সময় দাঁড়িয়ে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের পিছনে কত খরচ হয়, তা কি কেউ জানেন না? আর তা ছাড়া ওঁকে এমনই টাকা বলা হয়েছিল, যা উনি দিতে পারবেন। এমন নয় যে মাসে অথবা বছরে আমি আরও টাকা দাবি করব। এককালীন ৫৬ লক্ষ, ব্যস। যারা বলছেন আমি স্বাবলম্বী তাও কেন পয়সা নিয়েছি, তাঁদেরকে বলছি, আমি তো দিনের শেষে শিল্পী, আজ আমার কাজ আছে, এর পরের ছয় মাস নাও থাকতে পারে। তাই সন্তানের ভবিষ্যৎ চিন্তা কেন আমি করব না”?

পিঙ্কি জানিয়েছেন, “খোরপোশ নিয়ে কোনও দরদাম হয়নি তাঁদের, যা চেয়েছিলেন তাই পেয়েছেন। ব্যাপারটা মিটেও গিয়েছে। অতীতে দিকে আর ফিরে তাকাতে চান না পিঙ্কি। এগিয়ে যেতে চান সুন্দর ভবিষ্যতের দিকে”।

RELATED Articles