রনিতা দাস, বাংলা টেলিভিশন জগতের বেশ চেনা মুখ। ‘ধন্যি মেয়ে’ ধারাবাহিকের মাধ্যমেই টেলিভিশনে আত্মপ্রকাশ করেন রনিতা। মিষ্টি মেয়ের চরিত্র টেনেছিল দর্শককে। অল্প সময়ের মধ্যেই দর্শকের মন জয় করে নেন রনিতা। এই ধারাবাহিকেই রনিতার বিপরীতে দেখা গিয়েছিল সৌপ্তিক চক্রবর্তীকে। সেখান থেকেই শুরু তাদের সম্পর্কের। এরপর প্রায় দশ বছর কেটে গিয়েছে।
এবার সেই সৌপ্তিকের হাত ধরেই ওটিটি প্ল্যাটফর্মে পা রাখছেন রনিতা। ‘খেলা শুরু’ ওয়েব সিরিজ দিয়ে পরিচালনায় হাতেখরি হচ্ছে সৌপ্তিকের। আর এই ওয়েব সিরিজেই ইন্দ্রাশিষ রায়ের বিপরীতে দেখা যাবে রনিতাকে।
আরও পড়ুন- রণবীরকে নিজের বাবা ভাবত ঐশ্বর্য-অভিষেক কন্যা আরাধ্যা, গোপন কথা ফাঁস করলেন ঐশ্বর্য
তবে শুধু এই ওয়েব সিরিজই নয়, ‘আবার কাঞ্চনজঙ্ঘা’ ও ‘মায়া’ নামের ছবিতেও দেখা যাবে অভিনেত্রীকে। দীর্ঘদিন পর ফের অভিনয়ে ফেরার অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে রনিতা বলেন, “অভিনয় করিনি বলে, অভিনয় করতে ভুলে গেছি তা নয়। তবে নতুন কাজের ক্ষেত্রে অল্পবিস্তর চিন্তা থাকে। বুক ঢিপঢিপ করে। কাজ করতে করতে আবার সব ঠিক হয়ে যায়”।
তবে প্রেমিক সৌপ্তিকের সঙ্গে পরিচালক সৌপ্তিকের বেশ পার্থক্য। রনিতার কথায় সৌপ্তিক নাকি এ বিষয়ে বেশ কড়া। কোনও শট পছন্দ না হওয়া পর্যন্ত ওকে করে না। এমনকি সেটে সৌপ্তিকের কথায় তিনি কেঁদেও ফেলেছিলেন, যা ব্যক্তিগত জীবনে কখনও হয়নি।
তাহলে কী ধরণের সিরিজ এই ‘খেলা শুরু’? নামের মধ্যে কী রাজনৈতিক গন্ধ রয়েছে? এই বিষয়ে রনিতা বলেন, “এখানে কোনও রাজনীতির গন্ধ নেই। এই প্রজন্মের চাহিদা মেনে টানটান ভৌতিক-রহস্য রোমাঞ্চ সিরিজ। আর্ট কলেজ থেকে পাশ করেও ‘অভিষেক’ ওরফে ইন্দ্রাশিস জনপ্রিয় শিল্পী হতে পারেনি। রং-তুলির বদলে তার নেশা জুয়া। ছবি নিলাম তার উপার্জনের মাধ্যম। এ ভাবেই ছবি বিক্রি করতে গিয়ে তার আর তার সহবাস সঙ্গী ‘শ্রেষ্ঠা’ ওরফে আমার হাতে আসে একটি অলৌকিক ছবি। সেই ছবির দৌলতে প্রচুর অর্থের মালিক হয়ে উঠি আমরা। তার জন্য একটি খেলা খেলতে হয় আমাদের। কী সেই ‘গেম’? উত্তর রয়েছে নয় পর্বের এই ভৌতিক-রহস্য রোমাঞ্চ সিরিজে”।
আরও পড়ুন- ‘ইন্ডিয়ান আইডল’-এর মঞ্চ মাতাচ্ছেন বনগাঁর মেয়ে অরুনিতা, গানের সঙ্গে স্টাইলেও মাত দিচ্ছেন সকলকে
প্রেমিক সৌপ্তিক, পরিচালক সৌপ্তিক তো হল, তাহলে এবার স্বামী সৌপ্তিক কবে হবে? এই প্রসঙ্গে রনিতার সাফ জবাব, “করোনা থেকে ভুগে ওঠার পর আমার জীবন দর্শনটাই বদলে গিয়েছে। আগের থেকে অনেক শান্ত হয়েছি। ধৈর্য ধরতে শিখেছি। জীবন ফিরে পেয়ে তাকে নতুন করে ভালবাসতে শিখেছি। অতিমারি কাটুক। মুখে মাস্ক পরা বন্ধ হোক। তবে না সেজেগুজে ছাদনাতলায় যাব! সবাই এসে আনন্দ করবেন। বিয়ের দিন পালিয়ে যাচ্ছে না”।





