নব্বইয়ের দশকের বাচ্চাদের কাছে শক্তিমান শুধু কোনও টিভি সিরিয়াল নয়, শক্তিমান ইমোশন। আগেই জানা গেছে, পর্দায় ফিরছে শক্তিমান। নতুন অবতারে পর্দায় ফিরছে শক্তিমান। শক্তিমান কে কেই না চেনে? ১৯৮৮ সালে বিআর চোপড়ার টেলিভিশন অনুষ্ঠান মহাভারত দিয়ে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন মুকেশ খান্না। মহাভারতে তিনি ভীষ্ম পিতামহ চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। এমনকি তিনি বিভিন্ন ছবিতেও অভিনয় করেছেন। তাঁর জনপ্রিয় ছবিগুলির অন্যতম সওদাগর, চন্দ্রকান্ত, দ্য গ্রেট মারাঠা, গুড্ডু, বারসাত এবং আন্তর্জাতিক খিলাড়ি।
শোনা যায়, নতুন শক্তিমান হিসাবে দেখা যাবে রণবীর সিং-কে। এই খবর শোনা মাত্রই দর্শকদের মধ্যে চর্চা শুরু হয় শক্তিমান কে নিয়ে। অরিজিনাল শক্তিমান রেগে গেলেন এই খবরে। এই খবর যে পুরোপুরি ভুয়ো, তাও তিনি জানিয়ে দেন। ইউটিউবে এক ভিডিও আপলোড করে রণবীরকে শক্তিমান চরিত্রের জন্য ‘অযোগ্য’ বলে উল্লেখ করেন অভিনেতা। রণবীরের চর্চিত ন’গ্ন ফটোশ্যুটকে টেনে কড়া মন্তব্য করেন মুকেশ খান্না। শক্তিমানের আইকনিক লাল-সোনালি শ্যুটের যোগ্য নন রণবীর সিং-এর মতো নায়ক তার স্পষ্ট জবাব দেন।
তিনি তার ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডলে নিজের এবং রণবীর সিংয়ের একটি কোলাজ ছবি শেয়ার করে লিখেছেন, “সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব রয়েছে যে রণবীর সিং শক্তিমানের চরিত্রে অভিনয় করবেন। আর তা নিয়েই ক্ষোভে ফেটে পড়েন সকলেই। আমি চুপ করে ছিলাম। কিন্তু যখন চ্যানেলগুলি ঘোষণা করতে শুরু করল যে রণবীরকে সই করা হয়েছে এই চরিত্রের জন্য, তখন আমি বাধ্য হয়েই কথা বলছি। সে যত বড় তারকাই হোক না কেন, এমন ভাবমূর্তির মানুষ কখনও শক্তিমান হতে পারে না।”
রণবীরের নগ্ন ফটোশুটকে কটাক্ষ করে মুকেশ বলেন, “এই ধরনের কাজ ভারতীয় সংস্কৃতির পরিপন্থী। যদি সে নগ্নতায় স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে তবে তার এমন দেশে যাওয়া উচিত যেখানে সে প্রতি তৃতীয় দৃশ্যে ন’গ্ন দৃশ্য করতে পারে।”
অভিনেতা আরও বলেন, “আমি প্রযোজকদের বলেছি, আপনাদের প্রতিযোগিতা স্পাইডার-ম্যান, ব্যাটম্যান, ক্যাপ্টেন প্ল্যানেটের সঙ্গে নয়। শক্তিমান শুধু একজন সুপারহিরোই নন, তিনি একজন সুপার-টিজার, শিক্ষাগুরু। যে অভিনেতা এই চরিত্রে অভিনয় করবেন, তাঁর মধ্যে এমন গুণ থাকা উচিত তিনি যখন কথা বলবেন, লোকে তা শুনবে।” অবশ্য রণবীরকে আক্রমণ করে আপলোড করা ইউটিউব ভিডিও মুছে ফেলেন মুকেশ খান্না।






