“এলজিবিটিকিউ সম্প্রদায় সমাজকে কী দিতে পেরেছে? উল্টে এদের জন্য স্বাভাবিক বিয়ে ও সম্পর্ক ভেঙে যাচ্ছে…” সমকামী ও রূপান্তরকামীরাই যত ‘নষ্টের গোড়া’? বিতর্কিত মন্তব্য ঘিরে তুমুল কটা’ক্ষের শি’কার, গায়িকা অনুরাধা পড়োয়াল!

জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী অনুরাধা পড়োয়াল সম্প্রতি একটি পডকাস্টে সমকামী ও রূপান্তরকামী সম্প্রদায়কে নিয়ে করা মন্তব্যের জেরে বিতর্কের মুখে পড়েছেন। তাঁর বক্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। অনেকেই তাঁর মন্তব্যকে অসংবেদনশীল বলে সমালোচনা করেছেন।

পডকাস্টে সঞ্চালক জানতে চান, ভারতে বিয়ের গুরুত্ব বা পবিত্রতা কি আগের তুলনায় কমে গিয়েছে? উত্তরে অনুরাধা বলেন, বিয়ের পবিত্রতা আগের মতো নেই এবং এর একটি কারণ হিসেবে তিনি এলজিবিটিকিউ সম্প্রদায়কে দেওয়া গুরুত্বের কথা উল্লেখ করেন। তাঁর দাবি, একজন নারী ও একজন পুরুষের পরিবার গঠনই সমাজের স্বাভাবিক কাঠামো।

এছাড়াও তিনি প্রশ্ন তোলেন, এই সম্প্রদায় সমাজের জন্য কী ধরনের অবদান রাখছে। তাঁর এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার পরই নেটমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। বহু ব্যবহারকারীর মতে, এলজিবিটিকিউ সম্প্রদায় সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা ছাড়া এমন মন্তব্য করা একজন বিশিষ্ট শিল্পীর উচিত হয়নি।

আরও পড়ুন: স্বামীর একাধিক বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক, সব জেনে তবুও ৪০ বছর ধরে সংসার করে চলেছেন! কীভাবে সম্ভব? শেষ পর্যন্ত মুখ খুললেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী!

সমালোচনার জবাবে অনেকেই লিখেছেন, সমকামী ও রূপান্তরকামীরাও আইনি স্বীকৃতির সঙ্গে বিয়ে করতে এবং অনাথ শিশুদের দত্তক নিতে চান। তাঁদের মতে, একজন মানুষের সামাজিক অবদান তাঁর কাজ, দক্ষতা ও মানবিকতার মাধ্যমে বিচার করা উচিত। তিনি কাকে ভালোবাসেন, তার ভিত্তিতে নয়।

আবার কেউ কেউ বলেন, সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রেই এই সম্প্রদায়ের মানুষ অন্য সবার মতোই কাজ করছেন এবং অবদান রাখছেন। অনেকে অনুরাধা পড়োয়ালের বক্তব্যের সঙ্গে তাঁর সঙ্গীতজীবনের তুলনাও টেনে বলেন, যেমন প্রত্যেক শিল্পীর নিজস্ব গানের ধারা থাকে, তেমনই প্রত্যেক মানুষের ব্যক্তিগত পরিচয় ও জীবনযাপনকে সম্মান করা উচিত। বিতর্কের মধ্যেই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা এখনও অব্যাহত রয়েছে।

আরও অন্যান্য খবর