এই জাস্ট কিছু দিন আগেই মুক্তি পেলো “টেকো” “Teko” মুভি। ছবিটি সিনেমা হল এ দর্শক না টানতে পারলেও মানুষ কিন্তু ছবিটি এই ইন্টারনেট এর দুনিয়ায় ডাউনলোড করার জন্য উঠে পরে লেগেছেন এবং সার্চ করেছন গুগল এ এই সব সার্চ টার্ম, মুভি লঞ্চ করার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই leaked হয়ে গেল টোরেন্ট, টেলিগ্রাম এবপং বাকি ওয়েবসাইট গুলতে।
কোনও অভিনেতা বা অভিনেত্রী যদি প্রতিটি ইনিংসেই যদি ছয়-চার হাঁকাতে চান তা হলেও মাঝে মাঝে মুশকিল হয়। কিন্তু ঋত্বিক অভিনয় করেন না, আচরণ করেন। যে চরিত্রটা করতে তাকে দেওয়া হয়, ঠিক যেন তিনি সেটাই হয়ে যান। ‘টেকো’ ছবিতে কখনও তিনি আলুর অভিনয়ে, কখনও বা অলকেশ। পুরো ছবির শুরু থেকে শেষ তিনি একাই টেনেছেন।
“টেকো” “Teko” মুভি টিতে মুখ্য অভিনয়ে ছিলেন ঋত্বিক চক্রবর্তী এবং শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায় । ছবিটির পরিচালনায় ছিলেন অভিমন্যু মুখোপাধ্যায়, ছবিটির প্রযোজনায় ছিলেন সুরিন্দর ফিল্মস।
গল্প টা একদম এ সহজ ও সরল। তো টেকো সিনেমার গল্প হচ্ছে একটা মানুষের যার নাম হচ্ছে অলকেশ। সাধারণ একজন মানুষ যিনি তার চুল নিয়ে খুব obsessed . এতটাই obsessed যে সে বিয়ের পাত্রী ও সিলেক্ট করে তার চুল এর ভিত্তি তে. তো তার জীবনে সব ঠিকঠাকই চলছিল এবং একসময় সে একটা বিজ্ঞাপন দেখে টিভি তে যেখানে সে একটা হেয়ার অয়েল এর ব্যাপারে জানতে পারে সেটা কিনে সে মাখে সেখানেই হয় কেলো |
যার প্রতি তার এতো ভালোবাসা তার চুল পড়তে শুরু করে এরপর কি অলকেশ পারবে যারা এরকম Fake প্রোডাক্টস বিক্রি করে তাদের থেকে বদলা নিতে এবং নিজের মতো আরো মানুষ যাদের সাথে এরকম হয়েছে যাদের সাথে প্রতারণা হয়েছে এরকম তাদের কে কি জাস্টিস দিতে পারবে তো সেটা নিয়েই বাকি গল্প টা যেটা জানা জন্য আপনাকে ফিল্ম দেখতে হবে।
এই কনসেপ্টেই সম্প্রতি দু’টি ছবি হয়েছে হিন্দিতে। ‘বালা’, ‘উজড়া চমন’-এর সঙ্গে ‘টেকো’র তুলনা না করাই ভাল। তিনটি ছবির থিম ‘টাক’ হলেও, এখানে বিজ্ঞাপনের আগ্রাসী ভূমিকার কথা তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। যদিও কাহিনির শেষটা আগাম ভেবে নেওয়াই যায়। ঋত্বিক-শ্রাবন্তী কিন্তু রোম্যান্টিক জুটি হিসেবে বেশ ভালই লেগেছে । শ্রাবন্তী অল্প পরিসরে ভাল কাজ করেছেন।





