বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল ত্যাগী নেতাদের নিয়ে ফেঁপে ফুলে উঠেছিল যে বিজেপি শিবির সেই দলই এবার আস্তে আস্তে চুপসে যাচ্ছে। আর সেখানে সবচেয়ে বড় ধাক্কা দিলেন মুকুল রায়। দীর্ঘদিন মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন। বিধানসভা নির্বাচন পরবর্তী সময় থেকেই কানাঘুষা চলছিল তৃণমূলে যেতে পারেন তিনি। কিন্তু গুঞ্জনে জল ঢেলে ছিলেন তিনি স্বয়ং। বলেছিলেন বিজেপিতেই থাকছেন। কিন্তু আজ হঠাৎ করেই বড় লাফ দিলেন তিনি। সোজা পদ্ম থেকে ফের তৃণমূলে!
আরও পড়ুন- ‘মস্তক মুণ্ডন করে পাপ খণ্ডাব’, মুকুল বিদায়ে প্রথম প্রতিক্রিয়া সৌমিত্র খাঁর
মুখে যে যাই বলুক, এত বড় হেভিওয়েট নেতার ফের ঘর ওয়াপসিতে বেশ বিপাকে বিজেপি নেতৃত্ব।
আজ বিজেপির প্রদেশ অধ্যক্ষ দিলীপ ঘোষ নাম না নিয়েই বলেন, ‘বিজেপির বৃদ্ধিতে যাঁদের কোনও অবদান নেই, তাঁরা যেতে পারেন।’
মুকুল রায় বিজেপিতে যোগ দিলেও, তাঁর সঙ্গে দিলীপ ঘোষের সম্পর্ক যে বিশেষ মধুর ছিল না তা বলা বাহুল্য। বঙ্গ রাজনীতিতে মুকুলকে চাণক্য বলা হয়। অত্যন্ত ঠান্ডা মাথার এই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের জন্যই লোকসভা নির্বাচনে ১৮টা আসন হস্তগত করতে পেরেছিল বিজেপি বলে জানা যায়। একইসঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের আগে অনেক তৃণমূল নেতাকে বিজেপিতে নিয়ে আসার পিছনেও তাঁরই হাত সব থেকে বেশি।
আরও পড়ুন- তৃণমূলের রাজ্যসভার সংসদ পদে বসতে চলেছেন মুকুল রায়
আর এবার তাঁর সেই অবদানকেই অগ্রাহ্য করছেন দিলীপ। করার কিছু নেই। মুকুল যে এইরকম পদক্ষেপ নেবেন তা হয়তো আঁচ করতে পারেনি বঙ্গ বিজেপি শিবির। তাই জোর ধাক্কা লেগেছে।
মুখে যে যাই বলুক সপুত্র মুকুলের তৃণমূলের ফেরত যাওয়ায় বেশ বিপর্যস্ত রাজ্য বিজেপি। আংশিক ভাবে বিপর্যস্ত বিজেপি প্রদেশ অধ্যক্ষও।






